
পাক প্রধানমন্ত্রী শাহীদ খাকান আব্বাাসি (বামে) ও সৌদি বাদশাহ সালমান
সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মার্কিন সমর্থিত একটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে গেছে। চীন, তুরস্ক ও সৌদি আরব মার্কিন ওই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধ অবস্থান নেয়ায় তা বাস্তবায়ন হতে পারেনি।
সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ চলতি সপ্তাহে আমেরিকা পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নজরদারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএ’ বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আমেরিকা পেছনে থেকে কাজ করছিল। আমেরিকা বলে আসছে- পাকিস্তান সন্ত্রাসীদেরকে অর্থ যোগান দিচ্ছে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার যে প্রক্রিয়া চলছিল তার সঙ্গে জড়িত এক কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, এফএটিএ’র বৈঠকের পর বুধবার মার্কিন প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার চেষ্টা শুরু হয়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলেছে, মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সৌদি আরবের অস্বাভাবিক মতপার্থক্যের ঘটনা ঘটেছে যা সচরাচর দেখা যায় না।
সৌদি আরব পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা পিজিসিসি’র পক্ষ থেকে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন দেয় এবং ইসলামাবাদকে কালোতালিকাভুক্ত করার বিরোধিতা করে। পিজিসিসি সম্মিলিতভাবে এফএটিএ’র সদস্য এবং সৌদি আরবে সংস্থার পক্ষ থেকে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানায়। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার নতুন করে ভোট হতে পারে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হিদার নোয়ের্ত জানিয়েছেন।




