sliderস্থানিয়

নিয়ামতপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধা ও মেয়েকে পিটিয়ে জখম ‎

‎নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নিয়ামতপুরে জোরপূর্বক জমি দখলকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়েছে লতিফ (৭০) নামে এক বৃদ্ধা ও তার মেয়ে রাবেয়া । গত শুক্রবার দুপুরে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী লতিফ।

‎গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চৌরা সাহাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমি দখলকে কেন্দ্র করে গত ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিবেশি আব্দুল মুনার আলী, জেসমিন আরা, দোলা, আয়েশার সাথে লতিফের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এরই জের ধরে লতিফ ২৭ মার্চ শুক্রবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় লিখিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার (২৪) এপ্রিল দুপুরে আব্দুল মুনার আলী ও তার স্ত্রী জেসমিন আরা, মেয়ে দোলা ও আয়েশা, একই গ্রামের মৃত সাহেব উদ্দীনের ছেলে খাইরুল ইসলাম, মোফাজ্জল, মোতাহার আলী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। শনিবার লতিফের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুনার আলী লাঠি দিয়ে মাথায় ও জেসমিন আরা শ্বাসরোধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলায় চালায়। লতিফকে এগোতে এলে তার মেয়ে রাবেয়া ও মারধরে শিকার হয়।

‎ভুক্তভোগী লতিফ বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ জমি ভোগদখল করে আসছি। ২০২৪ সাল থেকে আমার প্রতিবেশি মুনার আলী ১৯৯৩ সালের একটা ভূয়া দলিল বের করে ঐ জমি দখলে নিতে চায়। থানা ও স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারের উপস্থিততে বৈঠকে রায় এসেছে আমার পক্ষে। জমি সংক্রান্ত একটা মামলা কোটেও চলমান রয়েছে। আমি নিরুপায় হয়ে থানায় বার বার লিখিত অভিযোগ দিয়েছি তাতেও কোন কাজ হয়নি। বরং আমার উপর তারা হামলা চালিয়েছে, বাড়িতে আগুন দিয়েছে। তারা আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি দিচ্ছে, আমি এখন আতঙ্কে রয়েছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চায়।

‎লতিফের মেয়ে রাবেয়া বলেন, আমাকেও তারা মারধর করেছে। শনিবার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। বাবার মাথায় ও কপালে কয়েকটি সেলাই ও আমার মাথায় ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে। আমার বাবার কোন ছেলে সন্তান না থাকায় তারা জোরপূর্বক জমি দখলে নিতে চায়।

‎এই বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

‎নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button