Uncategorized

ধর্মপাশায় সংখ্যালগু পরিবারের উপর নির্যাতন : প্রতিবাদে মানববন্ধন

সংবাদদাতা, সুনামগঞ্জ : ধর্মপাশা উপজেলা পল্লীতে অসহায় সংখ্যালগু একটি পরিবারের উপর অমানবিক নির্যাতন, প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। নরপশুদের হাত থেকে কালিতারা বর্মন (৬৫) রেহাই পায়নি। নরপশুদের প্রহারে বৃদ্ধ মহিলা এখন হাসপাতালে মূত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিন ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের নিরিহ বর্মন সম্প্রদায়ের একটি সংখ্যালগু জেলে পরিবার রয়েছে। একই গ্রামের প্রতিবেশী মৃত মোক্তার হোসেনের দাঙ্গাবাজ ও প্রথম শেণীর দাদন ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম ও তার সহুদর কাশেম ও মনু মিয়া দীর্ঘদিন যাবত ওই সংখ্যালগু পরিবারের নারী-পুরুষদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে আসচ্ছে।
গত ৯ জুন শুক্রবার সকাল ১০টায় সুভাষ বর্মনের মা কালিতারা বর্মন (৬৫) এর সাথে প্রতিবেশী নজরুল ইসলামের কথা কাটাকাটির এক পর্যায় নরপশু নজরুল ইসলাম সুভাষ বর্মনের ঘরে ডুকে গরু বিক্রির ১লাখ ৫হাজার টাকা নিয়ে যায়। এসময় সুভাষ বর্মনের মা কালিতারা বর্মন বাধা দিলে ওই বৃদ্ধ মহিলাকে মারপিট করে টাকা নিয়ে চলে যায়। এদিকে তাদের প্রহারে বৃদ্ধ কালিতারাকে মুমর্ষ অবস্থায় ধর্মপাশা উপজেলা সদর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সেবা দিলেও বৃদ্ধ কালিতারা এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আহত কালিতারা বর্মন এর ছেলে সুভাষ বর্মন বলেন, হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় গরুর খাদ্যের অভাব থাকায় আমার তিনটি গরু গত ৮ জুন বৃহস্পতিবার ধর্মপাশা বাজারে এনে ১লাখ ৫হাজার টাকায় বিক্রি করে বাড়িতে এনে ট্রাংকের ভিতরে রেখে ছিলাম টাকাটি ছিনিয়ে নেয়ার জন্যই আমার মাকে মারপিট করে গরু বিক্রির ১লাখ ৫হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়।
এসব জোড়, ঝুলুম, অথ্যাচার, লুন্টনকারি দৌলতপুর গ্রামের মৃত মুক্তার হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম, কাশেম ও মনু মিয়ার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সুভাষ বর্মন বলেন, আমরা সংখ্যালগু নিরিহ জেলে। বাচার তাগিদে হাওরে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতি পাত করছি। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী প্রভাবশালী নূরুল ইসলাম, কাশেম ও মনু মিয়র অথ্যাচার নিপিরন লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছি। কিন্তু প্রতিপক্ষরা প্রান নাশের হুমকী দিচ্ছেন। দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button