
চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১২ হাজার ৭০৪টি নমুনা পরীক্ষা করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২ হাজার ৯১১ জনের শরীরে।
দেশে এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ করোনার সংক্রমণ শনাক্তের রেকর্ড ছিল ২ হাজার ৫৪৫ জন, ৩১ মে।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলার পর মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪৪৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭০৯ জনের। চব্বিশ ঘণ্টায় ৫২৩ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ১২০ জন।
দেশে কভিড-১৯ শনাক্তের হার ২২.৯১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩৫ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ২১ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে মঙ্গলবার দুপুরে এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করা ৩৪ জনের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ, চারজন নারী। ঢাকা বিভাগের ১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫ জন, সিলেটে চারজন, বরিশালে তিনজন, রাজশাহীতে দুজন, রংপুর দুজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। বাসায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।
তাদের বয়স ২১-৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে ১০ জন এবং ৮০-৯০ বছরের মধ্যে দুজন।
বুলেটিনে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৩৮৮ জনকে। ছাড় পেয়েছেন ১৬৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৬ হাজার ২৪০ জন।
কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৫০৬ জন; ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৫৮ হাজার ৫৪৫ জন।




