দেলোয়ার হোসেন একজন সফল পুলিশ অফিসার

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি : বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন একজন সফল পুলিশ অফিসার। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যোগদানের পর থেকে নিজ যোগ্যতা আর দক্ষতার বলে সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ঘুমধুমের সচেতন ও সাধারণ এলাকাবাসীর মন জয় করেছেন। দাগী অপরাধীদের অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের লাগাম টেনে ধরেছেন ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওসি(তদন্ত) দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা।
ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা অপরাধীদের কঠোর হাতে দমন করছেন। ঘুমধুম ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে পুলিশের টহল থাকায় অপরাধমূলক কর্মকান্ড অনেকটাই কমেছে বলে জানান এলাকাবাসী।
যেসব এলাকায় অপরাধীদের আড্ডা ছিলো সেসব এলাকার অপরাধীদের আখড়ায় ওসি দেলোয়ার হোসেন নিজেই অভিযান করেছিলেন।
এলাকাবাসী বলেন, আগের তুলনায় ঘুমধুম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। এরকম পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত তাহলে অপরাধীরা অপরাধ কর্মকান্ড করতে সুযোগ পাবেনা।
ঘুমধুমে অনেক পরোয়ানাভূক্ত দাগী আসামি, মাদক কারবারি , মাদকসেবী এলাকা ছেড়ে দিয়েছিলেন। আবার তার নেতৃত্বে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। ওসি (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন ৪ফেব্রুয়ারী ২০২০’ইং তারিখে যোগদানের পর থেকে ঘুমধুম এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী , চাঁদাবাজ, ভুমিদস্যুসহ সকল অপরাধ কমে এসেছে। এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ ছিনতাইয়ের মত অপরাধ তার কঠোর হস্তক্ষেপে সহনশীল পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসী ওসি (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেনের প্রশংসা করছেন।
ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওসি(তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘুমধুমের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিমধ্যে অনেক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এলাকাবাসীকে সেবা প্রদান করার জন্য সব সময় প্রস্তুত। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের ধরতে ঘুমধুমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুলিশ অভিযান করছে। ঘুমধুমে যতদিন আছি ততদিন অপরাধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করছি। অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হউক অপরাধ করলে ছাড় নাই। মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয় যখন যা বলবেন তখন তা করার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
ওসি (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য ঘুমধুমবাসীর প্রতি আহবান থাকবে। পুলিশকে যদি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয় তাহলে পুলিশ এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবে। তাহলে এ দেশ একদিন অপরাধ মুক্ত দেশে রুপান্তরিত হবে।




