
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাপ্তাহিক ইকোনমিস্ট তাদের এক প্রতিবেদনে ঢাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে সাত লাখ বলে ধারণা করছে।
ইনফেকশনস আর রাইজিং ফাস্ট ইন বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান নামে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে তারা এ তথ্য উল্লেখ করে।
ইকোনমিস্ট জানায়, আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তা জন ক্লেমনস এর হিসাবে বাংলাদেশের ঢাকায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।
বাংলাদেশের সরকারের হিসেব অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ৩৯১, যার প্রায় অর্ধেকই রাজধানী ঢাকায়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন আরো ৩০ জন, যার মাধ্যমে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৮১১ জনে।
বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে লকডাউন শিথিল করা নিয়ে ইকোনমিস্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এর ফলে এসব দেশের বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরবে, তবে মহামারি থেকে কোন স্বস্তি মিলবে না।
অপেক্ষাকৃত সৌভাগ্যবান দেশগুলোতে, ঘরে থাকা নীতি নতুন সংক্রমণ কমিয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ায় কেবলমাত্র সংক্রমণের গতি কিছুটা ধীর করা সম্ভব হয়েছে মাত্র, থামানো যায়নি৷ লকডাউন শিথিল করার ফলে সংক্রমণের গতি আবারো বেড়ে গেছে বলেও জানায় ইকোনমিস্ট।
তিন দেশে ৩৫ লাখ আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা ৯ হাজারের কম, যেটা এখন পর্যন্ত মোটামুটি সহনীয় বলেই উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। তবে এই পরিসংখ্যান হিসেবের বাইরে থেকে যাওয়া অসংখ্য আক্রান্ত আর লকডাউন শিথিলের আগে থেকেই দ্রুত সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার ঘটনাকে আড়াল করে।




