Uncategorized

ঘিওরে প্রকাশনা উৎসব, গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধা

মো.নজরুল ইসলাম,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :”মুক্তবুদ্বি ও প্রগতির চর্চা বৃদ্বি হোক এই জনপদে” ভাষার মাসে ভাষা শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রেখে আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘিওর মেঘবালিকা ক্যাফে এন্ড পার্ক মুক্ত মঞ্চে বিকেল ৪.০০- সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকা পর্যন্ত অন্তরঙ্গ সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক (অব.) অজয় কুমার রায়ের নাট্যগ্রন্থ প্লাবন এবং ভাস্কর শাওন সগীর সাগর ও মানিক মজুমদারের যৌথ সম্পাদিত ‘সুবর্ণ জয়ন্তীর চন্দ্রালোকে’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে কবি অজয় কুমার রায়, ভাস্কর শাওন সগীর সাগর, কবি শামসুন্নাহার বেগম ও কবি পংকজ পালকে সংবর্ধনা ও মানপত্র প্রদান করা হয়।
অন্তরঙ্গ সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি কবি সোহরাব আহমেদের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি পংকজ কুমার পাল এর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ঘিওর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবিব ৷ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-উপজেলা নির্বাহী অফিসার হামিদুর রহমান,
৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট দীপক কুমার ঘোষ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সেলিনা সাঈয়েদা সুলতানা আক্তার, কবি বেগম শামসুন নাহার, ঘিওর ডি.এন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান শিকদার, উদীচী মানিকগঞ্জ জেলা সংসদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের ঘিওর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত ময়না, কবি ও সম্পাদক মানিক মজুমদার,উত্তরণ সভাপতি বিমল চন্দ্র রায় প্রমুখ।
অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবিব তার বক্তব্যে বলেন-“শিক্ষা সংস্কৃতি সাহিত্য আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য ৷ আমাদের বাঙালির প্রানের স্পন্দন আমাদের ঐতিহ্যকে কবি লেখকরাই বাঁচিয়ে রাখবেন। এডভোকেট দীপক কুমার ঘোষ বলেন, “কবি ও লেখক অজয় কুমার রায় মুক্তিযুদ্ধ ও আধুনিক বাঙালির সাম্প্রতিকতম বিবর্তনে নিজস্ব কাব্যধারা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর কবিতা সমাজ-ইতিহাস-সমকালের নান্দনিক সাক্ষী বটে। তিনি আরও বলেন, তাঁর কারণে আজ বাংলাদেশের বাংলা সাহিত্য ঋদ্ধ ও শক্তিমান হয়েছে।”
দ্বিতীয় পর্বে লাভলী ইয়াসমিন রুমির সঞ্চালনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, কবিতার সংমিশ্রণে বেশ জমে ওঠে।কবিতা আবৃত্তি করেন মোস্তাফিজুর রহমান মামুন ৷ সংগীতে অংশগ্রহণ করেন নজরুল সংগীত শিল্পী সোমা আল মামুন। আরও ছিলেন পিযুয দত্ত ।
বক্তারা আরো বলেন মুক্ত বুদ্ধির বইয়ের আলোর পরশে আলোকিত হোক নতুন প্রজন্ম। আমাদের সমাজ একদিন মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক চেতনা উজ্জীবিত হয়ে বহুত্ববাদী নারীবান্ধব ন্যায্যতার সমাজ বিনির্মানের আন্দোলনকে বেগবান করবেই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button