গার্মেন্টসে ছুটির বাধ্যবাধকতা নেই

বিশ্বজুড়ে ছড়িযে পড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারি-বেসরকারি সব অফিসে সাধারণ ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে। তবে পোশাক কারখানায় ছুটির বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বলেন, আমাদের যারা হেলথ প্রফেশনাল আছেন তাদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। গার্মেন্টসে যারা কাজ করেন তাদের ফ্যাক্টরি এবং তাদের জায়গায় আমরা ক্লোজ মনিটরিংয়ে রেখেছি প্রথম থেকে। কেউ যদি ইনফেকটেড হয় কোন একটি ফ্যাক্টরিতে, সে কিন্তু ওই ফ্যাক্টরির বাইরে যাচ্ছে না। কিন্তু ৫-৬ জন যদি ইনফেকটেড হয়ে ছুটিতে চলে যায় তাহলে কিন্তু ছড়ানোর সম্ভাবনাটা বেশি। সেই হিসেবে আগাগোড়াই আমরা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কারখানা মনিটরিং করছি।
গার্মেন্টেসের কর্মীরা ভালো আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কারখানাগুলোতে কর্মীরা কিন্তু সাবান, স্যানিটাইজার, গ্লাভস ও মাস্ক ব্যবহার করেই কাজ করে যাচ্ছেন। সেই হিসাবে তারা ভালো আছেন। সেক্ষেত্রে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন তারা কী করবেন।
আহমদ কায়কাউস আরও বলেন, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও মাস্ক তৈরিতে গার্মেন্টসের লোকজন আমাদের প্রচুর সহায়তা করছেন। চট্টগ্রাম থেকে আমরা গতকাল ১০ হাজার পেয়েছি, আরো ৯০ হাজার পাচ্ছি। এরকম বিভিন্ন এলাকা থেকে নেওয়া হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে গার্মেন্টসে ছুটির বিষয়টি আমরা বাধ্যবাধকতা করছি না।
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৬শে মার্চ থেকে ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে সরকারের সহায়তায় সারাদেশে সেনাবাহিনী নিয়োজিত থাকবে।




