রাজনীতি

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাদ দিয়ে ইতিহাস রচিত হতে পারে না : মেনন

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও ১১ দফা কর্মসূচি আজ বিস্মৃতপ্রায়। অথচ এই গণঅভ্যুত্থানই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিত রচনা করেছিল। ঐক্যবদ্ধ করেছিল ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে, সব বাঙালিকে। এই অভ্যুত্থানেই স্লোগান উঠেছিল ‘শ্রমিক-কৃষক অস্ত্র ধর, পূর্ব বাংলা স্বাধীন কর। ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর’।
বুধবার গণঅভ্যুত্থান দিবসে ‘শহীদ আসাদ ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি একথা বলেন।
মেনন বলেন, এগার দফা কর্মসূচি কোনো সম্পূরক কর্মসূচি ছিল না। ছাত্র সমাজের উপলব্ধির ভিত্তিতে রচিত হয়েছিল এগার দফা যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ছয়দফার দাবিসমূহ। অন্তর্ভুক্ত ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের এক ইউনিট বাতিলের দাবি। অন্তর্ভুক্ত ছিল ছাত্রদের দাবি, শ্রমিকের দাবি, কৃষকের দাবি, ব্যাংক-বীমা-মিল কারখানা জাতীয়করণের দাবি, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার দাবি। আর এ কারণেই ছাত্রদের ওই এগার দফা সর্বস্তরের জনগণের দাবি হয়ে উঠেছিল। ২৪ জানুয়ারি অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় সংগঠিত হতে পেরেছিল। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না।
ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য মাহমুদুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন ১১ দফা প্রণেতাদের অন্যতম ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড নুরুল হাসান, শ্রমিকনেতা কামরূল আহসান, ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তপন ও ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল।
সভা পরিচালনা করেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button