
আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ বলেছেন, অবসর নেওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধানদের নির্বাচন করতে দেওয়া উচিত হবে না। এটা হলে শাসক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করা থেকে সেনাপ্রধানদের বিরত রাখা সম্ভব হবে। সম্প্রতি রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন ভারতের বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। এরই প্রেক্ষিতে এই প্রস্তাব দিয়েছেন তরুণ গগৈ।
গত বুধবার দিল্লিতে এক সেমিনারে ভাষণ দিতে গিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল রাওয়াত বলেন, ভারতের আসাম রাজ্যে বদরুদ্দিন আজমলের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল এআইইউডিএফ কীভাবে বিজেপির চেয়েও দ্রুত শক্তি বাড়িয়েছে। এই প্রশ্ন তুলে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধের অংশ হিসেবেই পাকিস্তান উত্তর-পূর্ব ভারতে বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে – আর সে কাজে তাদের সাহায্য করছে চীন। খবর:টাইমস অব ইন্ডিয়া।
গগৈ বলেন, এমন মন্তব্য সেনা প্রধানের কাছ থেকে আশা করা যায় না। যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া থেকে সেনাপ্রধানদের বিরত থাকা উচিত। অবসরের ৫ বছরের মধ্যে তাদেরকে নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া উচিত হবে না। এটা হলে তাদের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ও শাসক দলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা কমে যাবে। তিনি বলেন, আমি ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম। কমপক্ষে তিনজন সেনাপ্রধানের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তারা কখনোই আমাকে এ ইস্যুতে কিছু বলেননি। যদি অনুপ্রবেশ চলতে থাকে তাহলে কেন্দ্রীয় সরকার কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
এদিকে সাবেক সেনাপ্রধান ও বর্তমান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং সেনা প্রধানকে রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, সব কিছু নিয়ে আমাদের রাজনীতি করার অভ্যাস রয়েছে। সেনাপ্রধান যা করতে চান তাকে তা বলতে দিন। এটা আপনার পছন্দ নাহলে নাই হোক।




