sliderস্থানীয়

রুবেল হত্যা, আরো ২ আসামি কারাগারে, ঘরে আগুন গাড়ি পোড়ানো ও মালামাল লুটের অভিযোগ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : বড়লেখায় রুবেল আহমদ (২৮) নামের রাজমিস্ত্রি খুনের ঘটনায় সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য সাবুল আহমদ ও একই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শরফ উদ্দিন নবাব দুই সহোদয় সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। নিহত রুবেলের ছোট ভাই ফয়ছল আহমদ ঘটনার দিন রাতে এ মামলা করেছেন। মামলায় আরও ১৫-১৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
১০ এপ্রিল মামলার এজারভুক্তের বাহিরে আরো ২ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাদের কারাগারে পাঠিয়েছে। তারা হচেছন কেছরিগুলের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে আব্দুল আহাদ ও আব্দুল পাত্তাহ। এ নিয়ে ৭ জন জেল হাজতে রয়েছে।
তবে বিবাদী পক্ষের স্বজনদের অভিযোগ রুবেল হত্যার পর পরই এলাকার লোকজন তাদের ২টি গাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে, এছাড়া বাড়ির জিনিস পএ লুটপাট করে নিয়ে যায়। তবে বাদী পক্ষের লোকজন ও এলাকার সচেতন লোকজন জানান যখন রুবেলকে হত্যা করা হয় তখন তাদের স্বজনরা ও এলাকা বাসী রুবেলকে নিয়ে কান্নাকাটি ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে ব্যাস্ত ছিল তারা আবার সেখানে গিয়ে কেমন করে আগুন লাগায় বিবাদী পক্ষ তারা নিজেরাই আগুন লাগিয়ে অন্যদের ফাসানোর পরিকল্পনা করে। এঘটনার পর থেকে কেছরিগুল গ্রামের লোকজন কোন কাজ ছাড়া বাড়ির বাহিরে বের হচ্ছে না। বড়লেখা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে দিন,রাত টহল দিচ্ছে। উত্তেজিত লোকজন যাহাতে আর কোন অপৃতিকর ঘটনা না করতে পারে।
সচেতন মহলের দাবি কোন ভাবে যাহাতে নিরঅপরাধী লোকজন হয়রানির শিকার না হয়। তারা আরো জানান এ ঘটনায় জেল হাজতে ৭ জনের মধ্যে অনেকেই হত্যা ঘটনার সাথে জড়িত নয়, ঘটনার সময় আশ পাশে ও তারা ছিলো না তারা ও জেল খাটছেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন শুক্রবার জুমার নামাজের সময় কেছরিগুল জামে মসজিদে জনৈক জামাল আহমদের সঙ্গে বড়লেখা সদর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য সরফ উদ্দিন নবাবের হাতাহাতি ও কথা কাটাকাটি হয়। পরে এলাকার লোকজন বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেন। আসরের নামাজের সময় জামাল আহমদের ছেলে ও ভাতিজাদের সঙ্গে ইউপি সদস্য সাবুল আহমদের ভাই সরফ উদ্দিন নবাবের ছেলে ও ভাতিজাদের ঝগড়া হয়। ঘটনার সময় কেছরিগুল গ্রামের রাজমিস্ত্রি রুবেল আহমদ কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় তাকে জামাল আহমদের পক্ষের লোক ভেবে আটকে রেখে ইউপি সদস্য সাবুল আহমদ ও তার ভাই সরফ উদ্দিন নবাব গংরা মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে রুবেল গুরুতর আহত হন। রুবেলকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাই সুমন আহমদও আহত হন। পরে স্থানীয়রা রুবেলকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনী সি আই ডি সহ বিভিন্ন সংস্হার সদস্যরা অপরাধীদের ধরতে মাঠে তৎপর রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button