নকলায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থরা পেলো রেনু আপার ব্যাক্তিগত সহায়তা সামগ্রী

শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় (পৌরসভার) জালালপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বসতঘর, নগদ ১৩ লাখ টাকাসহ প্রায় কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছে ৯ টি পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার(১১ নভেম্বর) দুপুর ১ টায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের খোঁজ খবর ও তাৎক্ষণিক সহায়তা সামগ্রী নিয়ে ছুটে যান উপজেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মানবতার ফেরিওয়ালা নামে পরিচিত সৈয়দা উম্মে কুলসুম রেনু (রেনু আপা)।
তাৎক্ষণিক সহয়তা সামগ্রী হিসেবে এসময় তিনি রান্নার কাজে ব্যবহৃত দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী (হাড়ি-পাতিল, থালা বাটি,জগ, ইত্যাদি) ব্যক্তিগত তহবিল হতে নিজ উদ্যোগে নিয়ে যান।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের মাঝে এসব সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন।
এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক খলিলুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক রেজাউল করিম রিপন, নকলা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: নাসির উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী (সুমাইয়া সুপার প্লাজার সত্বাধিকারী) ও যুব নেতা মো: উজ্জল মিয়া।
সহায়তা সামগ্রী বিতরনকালে সৈয়দা উম্মে কুলসুম রেনু বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের বিপদে আপদে আমি নিজের সাধ্যমত সহায়তা করার চেষ্টা করেছি এবং সবসময় করি । আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি পরিবার অসহায় হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে এটা শুনার পর আর বসে থাকতে পারিনি। নিজের সাধ্যানুযায়ী সহায়তা সামগ্রী নিয়ে অসহায়দের পাশে দাড়িয়ে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতেই আমার এখানে ছুটে আসা।মানুষকে সহায়তার এই ধারা সবসময় অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের থেকে জানা যায় ,গত মঙ্গলবার(১০ আগষ্ট) বিকাল ৩ টার দিকে নকলা পৌরসভার জালালপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হতে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে অনেকের ধারনা । তারা জানান, আগুন লাগার সাথে সাথে নকলা বিদ্যুৎ অফিসে মোবাইলের মাধ্যমে জানানো হলে তাৎক্ষণিক বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় অন্য উপজেলা হতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ঘটনা স্থলে আসতে বিলম্ব ঘটে যার ফলে সেখানে বসবাসরত ৯ টি পরিবারের বাড়ীঘর, টাকা পয়সাসহ সকল কিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় অনেকের অভিযোগ, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনা স্থলে এসে পৌঁছায়।উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেশি হয়েছে উল্লেখ করে অতিদ্রুত উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন স্থাপনের জোড় দাবি জানান উপজেলার সচেতন মহল।




