গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙ্গন রোধে বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙ্গন রোধে বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিস্তার ভাঙ্গন রোধে বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মঙ্গলবার উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের ইচলী গ্রামে ওই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন তিস্তা নদীর ডান তীর পাড়ের কয়েকশ' মানুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন লক্ষীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী, সাবেক চেয়ারম্যান ফয়সাল হোসেন আশরাফী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, ইউপি সদস্য আব্দুল মোন্নাফ, ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা সেতু হতে শংকরদহ, চর ইচলী ও বিনবিনা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার বাঁধ না থাকায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে পানির তীব্র স্রোতের কারণে ব্রিজ ও বুড়িমারী স্থল বন্দর সড়কে ভাঙন দেখা দেয়েছে। এছাড়া ব্রিজের পাশে ব্লক পিচিং বিলীন হয়ে গেছে, হুমকিতে পড়েছে ব্রিজসহ বুড়িমারী সড়ক। বক্তারা বলেন, ভাঙন রোধ করা না গেলে যে কোন সময় ব্রিজ ও সড়ক ভেঙ্গে সেখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়বে। ফলে বুড়িমারী স্থল বন্দরের সাথে যোগাযোগ ব্যাহত হবে। সেই সাথে শেখ হাসিনা দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইতোমধ্যে তিস্তার কয়েক দফার ভাঙ্গনে শংকরদহ গ্রামটি বিলীন হয়ে গেছে এবং পশ্চিম ইচলীর অর্ধেক বিলীন হতে চলেছে। এর মধ্যে বিলিন হয়েছে প্রায় ছয় শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি, আশ্রয়ন, ফসলি জমি, স্কুল, মাদ্রাসা, রাস্তা ও ব্রিজ। ভাঙ্গনের কারণে বাড়ি-ঘর হারিয়ে চরে বসবাসরত পরিবার গুলো আশ্রয়হীন হয়ে আছে। একটি মাদরাসাসহ শংকরদহচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিনবিনা পাকা রাস্তাসহ বিলিন হয়েছে। বক্তাদের অভিযোগ- বাঁধ নির্মাণেঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের লুটপাটের কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
বক্তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, দ্রুত বাঁধ নির্মাণ করা না হলে কঠোর কর্মসুচি ঘোষনা করা হবে। এদিকে রাস্তা ও ব্রিজ রক্ষায় এলজিইডির কর্মকর্তারা ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বালুর বস্তা ফেলে ব্রীজ রক্ষার চেষ্ট করছে বলে জানান সেখানকার উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিল। উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বলেন, ভাঙ্গন রোধে কাজ করে যাচ্ছে সরকারী স্ংস্থাগুলো।




