আন্ডারওয়ার্ল্ডের হুমকির মুখে দেশ ছাড়েন এই বলিউড নায়িকা

অভিনেতা রাজা মুরাদের ভাইঝি বখওয়ার। সিনেমায় এসে নাম পাল্টে হয় সোনম। কারণ পরিচালক ইয়াশ চোপড়ার মনে হয়েছিল, বলিউডে জনপ্রিয়তা পেতে গেলে নায়িকার অন্য নাম প্রয়োজন।
সোনম ১৬ বছর বয়সে যশের পরিচালনায় ঋষি কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেন ‘বিজয়’ ছবিতে। ১৯৮৮ সালে মুক্তি পায় এ ছবি। তার আগে অভিনয় করেছিলেন একটি তেলুগু ছবিতে।
একই বছর মুক্তি পায় সোনমের আরেকটি সুপারহিট ছবি ‘ত্রিদেব’। এই ছবিতে তার ওপর দৃশ্যায়িত গান ‘তিরচি টোপিওয়ালে’ খুব জনপ্রিয় হয়। সেই গান থেকে সোনমের নাম-ই হয়ে গিয়েছিল ‘ওয়ে ওয়ে গার্ল’।
১৯৮৮ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত, মোট ৩০টি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি বক্সঅফিসে সফল হয়। উল্লেখযোগ্য হলো আখরি আদালত, আখরি গুলাম, মিট্টি অউর সোনা, ক্রোধ ও আজুবা।
১৯৯১ সালে বিয়ে করেন সোনম। তার স্বামী রাজীব রাই ছিলেন ‘ত্রিদেব’ ও ‘বিশ্বাত্মা’ ছবির পরিচালক। রাজীবের বাবা গুলশন রাই ছিলেন নামী প্রযোজক। বিয়ের পর মাত্র তিন বছর অভিনয় করেছিলেন সোনম। এরপর বেশিদিন ভারতে থাকতে পারেননি তিনি। স্বামী রাজীব ও ছেলে গৌরবকে নিয়ে সোনমের দাম্পত্যজীবনের বেশিরভাগ অংশ কেটেছে প্রথমে লস অ্যাঞ্জলস, তারপর সুইজারল্যান্ডে।
তাদের অভিযোগ মাফিয়া আবু সালেমের দাবি মতো টাকা দেননি বলে রাজীবের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এমনকি, রাজীবের প্রাণনাশের চেষ্টাও হয়েছিল বলে অভিযোগ। নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে তারা দেশান্তরী হতে বাধ্য হন বলে দাবি।
তবে রাজীবের সঙ্গে সোনমের দাম্পত্য স্থায়ী হয়েছিল দশ বছর। ২০০১ থেকেই তারা আলাদা থাকছিলেন। এর কয়েক বছর পরে সোনম মুম্বাই ফিরে আসেন। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক আর জোড়া লাগেনি। বিয়ের পঁচিশ ও সেপারেশনের পনেরো বছর পরে ২০১৬ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। পরের বছর শিল্পপতি মুরলী পোড়ুভালকে বিয়ে করেন সোনম। দেশ রূপান্তর




