Uncategorized

আমতলী ১১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, চরম আতংকে মানুষ

সংবাদদাতা,আমতলী (বরগুনা) : করোনা মহামারীর মধ্যেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার দিকে এগিয়ে আসছে বলে আভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ কারণে বরগুনার আমতলীসহ আতংকে উপকূলীয় এলাকার মানুষ।
উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিস জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় ইতিমধ্যেই আমতলীর ১১১টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মাইকিং করে মানুষকে নিরাপদ স্থানে থাকতে ও আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এ কারনের আমতলীসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষ রয়েছে চরম আতংকের মধ্যে রয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র আছে সেগুলো উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিদের্শ দিয়েছেন।
উপজেলা ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর সহকারী পরিচালক কেএম মাহতাবুল বারী মোবাইলফোনে বলেন, উপজেলার ১৭শ ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক ইতিমধ্যে জনসাধারণকে সচেতন করতে গ্রামগঞ্জে প্রচার- প্রচারণা চালাচ্ছেন। কলাপাড়া আবহাওয়া অফিস থেকে পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন মুঠোফোনে বলেন, এ উপজেলার ১১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুযোর্গ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। আশ্রয় কেন্দ্রে সামাজিক সুরক্ষা মেনে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী রাখা হবে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে গ্রাম পুলিশ ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের টিম সার্বক্ষণিক সামাজিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকবেন। আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া মানুষের জন্য শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমান, জানান, ঘূর্নিঝড় আম্ফান দুর্যোগ মোকাবেলায় পৌরসভার পক্ষ থেকে সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুযোর্গ মোকাবেলায় পৌরসভার সকল আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। সচেতনতার জন্য দুপুরের পর থেকে পৌরসভার পক্ষ থেকে শহরে মাইকিং করা হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলার উপজেলা প্রশাসন সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রত্যেক ইউনিয়নের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসহ সকল জনসাধরণকে সজাগ থাকার জন্য বলা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button