পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ঢাকামুখি পোশাক শ্রমিকদের ঢল অব্যহত

নিজস্ব প্রতিনিধি : পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ঢাকামুখি পোশাক শ্রমিকদের ঢল তৃতীয়দিনের মত অব্যহত রয়েছে । “অফিসের কর্মকর্তাদের নির্দেশে চাকুরী রক্ষা আর পেটের তাগিদে তারা ভুলেই গেছেন মরণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপ আর সামাজিক দুরত্বের কথা। যে কোন ভাবে পৌছতে হবে কর্মস্থলে। নইলে চাকুরী হারাতে হবে। এরকম কথা ছিলো পাটুরিয়া ঘাটে জরো হওয়া শত শত কর্মজীবী মানুষের মুখে। তাদের মুঠোফোনে এসএমএস এসেছে যে কোন মুল্যে কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে ! নইলে কর্তৃপক্ষ তাদের জায়গায় বিকল্প লোক নিয়োগ দিবে“।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের পোশাক কারখানায় যোগ দিতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১জেলার হাজার হাজার কর্মজীবীরা পাটুরিয়া ঘাটে জমায়েত হয়। ঘাট এলাকায় প্রশাসনের নজরদারী উপেক্ষা করে মরণঘাতি করোনার যে তাদের মাথায় নেই তাদের এইটাই টার্গেট যেকোন ভাবেই হোক যার যার কর্মস্থলে ফিরতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনে গাদাগাদি করে চেপে ফিরছেন কর্মস্থলে।
এদিকে কর্মস্থল ফেরত মানুষের উপচেপরা ভীড়ের পোড়া বারো ঘাট ইজারাদারদের। তারা নির্ধারিত টোলের চাইতে দ্বিগুন টোল আদায় করছেন। আগত যাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাটুরিয়া ঘাটে লুস যাত্রী ইজারাদারে ম্যানেজার লিটন দেবনাথ জানালেন বিষয়টি তাদের জানা নেই।
পাটুরিয়া ফেরি সেক্টরে ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানালেন , জরুরী পন্যবাহী ট্রাক আর অ্যাম্বুলেন্স পারাপারের জন্য সীমিতআকারে ফেরি সার্ভিস চালু রাখা হলেও। গার্মেন্টস খোলা থাকায় হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ ফেরি যোগে পার হওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন। এই সেক্টরে ৫টি চালু রয়েছে। বাকী গুলো নোঙর করে রাখা হয়েছে।
ফেরি গন পরিবহন না থাকায় ঘাটে আসা কর্মস্থল মুখি কর্মজীবী মানুষেরা রীতিমতো জিম্মি হয়ে পরছে। যেখানে পাটুরিয়া থেকে নবিনগর ও গাবতলী পযন্ত ভাড়া গন পরিবহনের ভাড়া ৬০ থেকে ৯০ টাকা । সেখানে পিকআপ, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ইঞ্চিন চালিত অটো বাইক চেপে জন প্রতি ৫শত টাকা গুনতে হচ্ছে। মোটর সাইকেলে দুই জন ১২‘শত টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।



