ভিন্ন পরিবেশে রমজান পালন করছে ব্রিটিশ মুসলিমরা
ব্রিটেন থেকে সংবাদদাতা ২৪ এপ্রিল ২০২০, ২০:১৪
ভিন্ন পরিবেশে রমজান পালন করছে ব্রিটিশ মুসলিমরা - সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ব্রিটেনের মুসলমানরা আজ শুক্রবার থেকে রোজা রাখতে শুরু করেছেন। রমজান মাস উপলক্ষে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এদিকে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবারের মধ্যেই কাজে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে ।
বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের মতো ব্রিটেনের মুসলমানদের জীবন যাত্রা পাল্টে গেছে। ব্রিটেনের সকল মসজিদ সাধারণ মুসল্লিদের জন্য বন্ধ করা হয়েছে গত মাসেই। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এমনকি শুক্রবারের জুমার নামাজও মসজিদগুলোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এরই ধারাবাহিকতায় এবারই প্রথম রমজান মাসে মসজিদে তারাবির নামাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ব্রিটেনের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
ব্রিটেনের মুসলমান অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এবার প্রতিবারের মতো এবারের রমজানে সাজ সাজ রব পরেনি। করোনার করাল গ্রাসে মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক বিরাজ করছে তা প্রতিটি মানুষের চেহারায় স্পষ্ট। প্রতি বছর রমজান মাসের প্রথম দিন থেকেই ব্রিটেনের মুসলমানদের মধ্যে ইফতার মাহফিল এবং দোয়া আয়োজনের ব্যস্ততা দেখা যায়। কিন্তু সরকারি আদেশের কারণে এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠে বিশ্রামে থাকা প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ব্রিটিশ মুসলমানসহ সারা পৃথিবীর মুসলমানদের রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ছাড়াও ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ মুসলমানদের রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি জানি মুসলমানদের জন্য এই মাসটি কত গুরুত্বপূর্ণ। এই রমজানে দেশের যেসব মুসলমান নাগরিক ন্যাশনাল হেলথ সর্ভিসেসে এবং আর্মড ফোর্সসহ অন্যান্য কাজে নিয়োজিত আছে তাদের যে অসুবিধা হবে সেই জন্য আমরা দুঃখিত। আমরা জানি একসাথে ইফতার, তারাবি এবং ঈদ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের স্বার্থে এই ত্যাগ স্বীকার করায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমরা।’
প্রধান বিরোধী দল লেবার দলের নেতা এবং ছায়া প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ব্রিটিশ মুসলমানদের রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘রমজান আমাদেরকে যে শিক্ষা দেয় তা এই মহামারির দিনে আমাদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া যে সব মুসলিম ব্রিটেনে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রথম কাতারে থেকে যুদ্ধ করছেন, তাদেরকে তিনি শুভকামনা এবং ধন্যবাদ জানান।
এদিকে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে চিকিৎসাধীন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবারের মধ্যেই কাজে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে ।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানা যায়, আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের সময়সূচি ঠিক করতে জনসন তার উপদেষ্টাদের পরামর্শ দিয়েছেন। মার্চের শেষ দিকে ৫৫ বছর বয়সী জনসনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
১০ দিন পরও কাশি ও জ্বরের মতো উপসর্গগুলো থেকে যাওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে লন্ডনের সেইন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিন রাত কাটানোর পর সুস্থ হয়ে উঠতে থাকা জনসন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও বিশ্রামেই ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডমিনিক রাব এতদিন প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার ডেপুটি হিসেবে জরুরি কাজগুলো চালিয়ে নিচ্ছিলেন।
মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ব্রিটেনের মুসলমানরা আজ শুক্রবার থেকে রোজা রাখতে শুরু করেছেন। রমজান মাস উপলক্ষে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এদিকে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবারের মধ্যেই কাজে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে ।
বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের মতো ব্রিটেনের মুসলমানদের জীবন যাত্রা পাল্টে গেছে। ব্রিটেনের সকল মসজিদ সাধারণ মুসল্লিদের জন্য বন্ধ করা হয়েছে গত মাসেই। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এমনকি শুক্রবারের জুমার নামাজও মসজিদগুলোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এরই ধারাবাহিকতায় এবারই প্রথম রমজান মাসে মসজিদে তারাবির নামাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ব্রিটেনের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
ব্রিটেনের মুসলমান অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এবার প্রতিবারের মতো এবারের রমজানে সাজ সাজ রব পরেনি। করোনার করাল গ্রাসে মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক বিরাজ করছে তা প্রতিটি মানুষের চেহারায় স্পষ্ট। প্রতি বছর রমজান মাসের প্রথম দিন থেকেই ব্রিটেনের মুসলমানদের মধ্যে ইফতার মাহফিল এবং দোয়া আয়োজনের ব্যস্ততা দেখা যায়। কিন্তু সরকারি আদেশের কারণে এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠে বিশ্রামে থাকা প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ব্রিটিশ মুসলমানসহ সারা পৃথিবীর মুসলমানদের রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ছাড়াও ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ মুসলমানদের রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি জানি মুসলমানদের জন্য এই মাসটি কত গুরুত্বপূর্ণ। এই রমজানে দেশের যেসব মুসলমান নাগরিক ন্যাশনাল হেলথ সর্ভিসেসে এবং আর্মড ফোর্সসহ অন্যান্য কাজে নিয়োজিত আছে তাদের যে অসুবিধা হবে সেই জন্য আমরা দুঃখিত। আমরা জানি একসাথে ইফতার, তারাবি এবং ঈদ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের স্বার্থে এই ত্যাগ স্বীকার করায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমরা।’
প্রধান বিরোধী দল লেবার দলের নেতা এবং ছায়া প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ব্রিটিশ মুসলমানদের রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘রমজান আমাদেরকে যে শিক্ষা দেয় তা এই মহামারির দিনে আমাদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া যে সব মুসলিম ব্রিটেনে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রথম কাতারে থেকে যুদ্ধ করছেন, তাদেরকে তিনি শুভকামনা এবং ধন্যবাদ জানান।
এদিকে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে চিকিৎসাধীন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবারের মধ্যেই কাজে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে ।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানা যায়, আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের সময়সূচি ঠিক করতে জনসন তার উপদেষ্টাদের পরামর্শ দিয়েছেন। মার্চের শেষ দিকে ৫৫ বছর বয়সী জনসনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
১০ দিন পরও কাশি ও জ্বরের মতো উপসর্গগুলো থেকে যাওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে লন্ডনের সেইন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিন রাত কাটানোর পর সুস্থ হয়ে উঠতে থাকা জনসন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও বিশ্রামেই ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডমিনিক রাব এতদিন প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার ডেপুটি হিসেবে জরুরি কাজগুলো চালিয়ে নিচ্ছিলেন। সুত্র : নয়া দিগন্ত।