মুন্সিগঞ্জে তিন একর জমিতে পপি চাষ!
ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চর বানিয়ালে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে পপি চাষের খবর পাওয়া গেছে। প্রায় তিন একর জমিতে খোরশেদ ও মিজান নামের দুই ব্যক্তি এগুলোর চাষ করছিল।
রবিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে পপি চাষের আলামত উদ্ধার করে। তবে অভিযানের আগেই গাছগুলো নষ্ট করে ফেলে দেয় চাষিরা।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ মেজবাহ-উল-সাবেরিন জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান সোহরাব পিরের সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু এর আগেই পপি চাষি খোরশেদ ও মিজান খবর পেয়ে যায় এবং গাছগুলো নষ্ট করে পালিয়ে যায়। তবে এর আনুমানিক মূল্য কয়েক কোটি টাকা। আমরা আলামত জব্দ করেছি এবং খোরশেদ ও মিজানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
জানা যায়, পপি গাছের ফল যখন পরিপক্ব হয় তখন ব্লেড দিয়ে ফলটির গায়ে গভীর করে আঁচড় দেওয়া হয়। এর ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা পর ফল থেকে কষ বের হয় এবং চাষিরা তা সংগ্রহ করে। যা হেরোইন ও আফিমের কাঁচামাল হিসেবে বাজারজাত করা হয়। এটি থেকে হেরোইন ছাড়াও মরফিন পাওয়া যায়, যা ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এই গাছটি বিভিন্ন রঙের ফুল হয়ে থাকে। যেমন- লাল, হলুদ, সাদা। মুন্সিগঞ্জের গাছ গুলোতে সাদা রঙের ফুল ছিল। তবে সব পপি ফুল থেকে মাদক দ্রব্য তৈরি হয় না বলেও জানা যায়।
দেশ রূপান্তর




