আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

ইতালিতেও লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) চীনের বাইরে এতদিন দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা ছিল সবচেয়ে খারাপ। হঠাৎ ইতালিতে মহামারি আকার ধারণ করল ভাইরাসটি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নতুন করে ২৭ জন মারা গেছেন। সব মিলিয়ে সে দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭৯ জনের।
ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫০২ জন। সেরে উঠেছেন ১৬০ জন।
দক্ষিণ কোরিয়ায় এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৮ জন। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩২৮ জন।
করোনায় শুধু চীনে মারা গেছেন ২ হাজার ৯৮১ জন। গত ডিসেম্বরে দেশটির যে হুবেই প্রদেশ থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে সেখানেই মারা গেছেন ২ হাজার ৮৭১ জন।
দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালির পর ইরানের অবস্থাও খারাপের দিকে যাচ্ছে। সেখানে ৭৭ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৩৬ জন।
করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সংক্রমণ। এই রোগের কোনো প্রতিষেধক কিংবা ভ্যাকসিন এখনো তৈরি হয়নি। মৃতদের অধিকাংশই বয়স্ক যাদের আগে থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতা ছিল।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।
এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতোই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button