দুর্নীতিশিরোনাম

পি কে হালদারসহ ২০ জনের সম্পদ-ব্যাংক হিসাব জব্দই থাকছে

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি (ব্যবস্থাপনা পরিচালক) পি কে হালদার (প্রশান্ত কুমার হালদার), তার মা, স্ত্রী ও ভাইসহ ২০ জনের ব্যক্তিগত সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ সর্বোচ্চ আদালতেও বহাল রয়েছে।
বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ হাইকোর্টের ওই আদেশ বহাল রাখে।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের করা আপিল আবেদন খারিজ করে এই আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।
ওই প্রতিষ্ঠানে দুই বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরত সংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গত ২১ জানুয়ারি বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই ২০ জনের ব্যক্তিগত সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল।
প্রশান্ত হালদার ছাড়া আরও যাদের বিষয়ে আদেশ হয়েছে তারা হলেন- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের এমডি এম নুরুল আলম, পরিচালক জহিরুল আলম, এমএ হাশেম, নাসিম আনোয়ার, বাসুদেব ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, মোমতাজ বেগম, নওশেরুল ইসলাম, আনোয়ারুল কবির, প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, আবুল হাসেম, মো. রাশেদুল হক, প্রশান্ত কুমার হালদারের মা লীলাবতী হালদার, স্ত্রী সুস্মিতা সাহা, ভাই প্রীতিশ কুমার হালদার, কাকাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী, অভিজিৎ অধিকারী, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক পরিচালক ইরফান উদ্দিন আহমেদ ও প্রশান্তর বন্ধু উজ্জ্বল কুমার নন্দী।
আইনজীবীরা জানান, প্রশান্ত কুমার হালদার প্রথমে রিলায়েন্স ফাইন্যান্স ও পরে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দুই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে ব্যাংকবহির্ভূত আরও চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজ কর্তৃত্বে ও নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠে প্রশান্ত ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এর একটি ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড।
অবৈধ ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌনে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে গত ৮ জানুয়ারি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে তিনি পলাতক।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button