
কাউছার মিয়া,দৌলতপুর প্রতিনিধি: দৌলতপুর উপজেলায় প্রথম শ্রেণির ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেস্টা মামলায় দুই শিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যৌন নির্যাতনের মেয়ে শিশুটি ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। অভিযুক্ত দুই শিশুকে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে অভিযুক্ত ওই দুই শিশুকে মানিকগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ এর বিচারক ফাতিমাতুয জোহুরা গাজিপুর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বিবরন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে শিশুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ালেখা করেন। গত ১৫ মে বিকেলে কেউ বাড়িতে না থাকায় এই সুযোগে ওই শিশুকে প্রতিবেশি ১২ বছর ও ১১ বছরের দুই ছেলে শিশু গোয়ালঘরে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করার চেস্টা করা হয়। এসময় শিশুটি চিৎকার দিলে ওই দুই শিশু পালিয়ে যায়।
এঘটনায় একদিন পরে শিশুটিকে গোসল করানোর সময় শিশুটির নানি শারীরিক অসুস্থতা লক্ষ করেন। শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ১৫ মে তার উপরে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ননা দেয়।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার সরকার বলেন, শিশুটির নানা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ চেস্টার মামলা করেন। ওই মামলায় ১২ ও ১১ বছরের দুই শিশুকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।
মানিকগঞ্জ আদালত পরিদর্শক সোহেল আহম্মেদ বলেন, দৌলতপুরে ৬ বছরের এক মেয়ে শিশুকে ধর্ষণ চেস্টা মামলায় অভিযুক্ত দুই শিশুকে আজ মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে তোলা হয়। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ এর বিচারক ফাতিমাতুয জোহুরা ওই দুই শিশুকে গাজীপুর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এছাড়াও মেয়ে শিশুটি বিচারকের কাছে ২২ ধারায় জাবানবন্দি দিয়েছেন।



