
ভারত শাসিত কাশ্মীরে ভয়ঙ্কর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ না করায় মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষ সংগঠন ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি’র কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
ডন জানায়, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার একটি থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি মুসলিম উম্মাহর বিভাজনের বিষয়টি তুলে ধরেন।
মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে ইমরান খান বলেন, ‘আমরা চাই না মুসলিম দেশগুলো একসঙ্গে এসে লড়াই করুক, তবে অন্য সম্প্রদায়ের মতো স্বার্থরক্ষার কাজটি করুক।’
‘১৩০ কোটি মুসলিম থাকা সত্ত্বেও লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ গোটা বিশ্বে মুসলিমরা ভুগছে’- এসবকে ‘ধ্বংসযজ্ঞের গল্প’ আখ্যা দেন তিনি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসবের কারণ হলো আমাদের কোনো আওয়াজ নেই এবং আমাদের মধ্যে পুরোদমেই বিভক্তি। কাশ্মীর ইস্যুতে ওআইসির সম্মেলন নিয়ে আমরা এক অবস্থানে আসতে পারিনি।’
মুসলিমদের নিপীড়নের এই ভয়াবহ সমস্যা সমাধানে মুসলিম দেশগুলোর সম্মিলিত ও দৃঢ় প্রতিবাদই জবাব হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একমাত্র সমাধান হলো মিয়ানমার ও কাশ্মীরে যা ঘটছে তার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া, যেখানে কেবল ধর্মের জন্য কেউ নিপীড়িত হচ্ছে।’
এ সময় মালয়েশিয়ায় আয়োজিত মুসলিমদেশগুলোর সম্মেলনে থাকতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, উম্মাহ বিভক্ত হবে কয়েকটি দেশের এমন ‘ভুল ধারণার’ কারণে পাকিস্তান ওই সম্মেলনে অংশ নিতে পারেনি।




