দেখা নেই বিদ্যুতের, জেনারেটরে ৫০ টাকায় মোবাইল চার্জ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গত তিনদিন ধরে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল ফোন চার্জ দিচ্ছেন এ উপজেলার অনেকেই। শুধু মোবাইল ফোন নয়, জেনারেটরে চার্জ দেওয়া হচ্ছে চার্জার লাইট, চার্জার ফ্যান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইলেকট্রিক যন্ত্র। তবে এতে তাদের গুনতে হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা।
উপজেলা শহরের বেল্লাল ডেকোরেটর, দুলাল ডেকোরেটর, আলি হোসেন ডেকোরেটরসহ গোপালপুর, ভুরঘাটা, কালকিনি থানার মোড়, মাছ বাজারসহ প্রায় ২০টি দোকানে জেনারেটরের মাধ্যমে সিরিয়াল দিয়ে ৫০ টাকার বিনিময়ে চার্জ দেওয়া হচ্ছে মোবাইলসহ এসব ইলেকট্রিক যন্ত্র।
গত শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন হয়ে পড়ে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার, ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে গেছে। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সচল হবে বলতে পারছেন না বিদ্যুৎ অফিস।
বেল্লাল ডেকোরেটরের মালিক বেল্লাল হোসেন বলেন, গত তিনদিন যাবৎ এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এ কারণে মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে গেছে। তাই নিজের জেনারেটরে ফোন চার্জ দিচ্ছি। তবে অনেকেই আসছেন ফোন চার্জ দেওয়ার জন্য। যেহেতু ডিজেল দিয়ে জেনারেটর চালাতে হয় তাই টাকা নিচ্ছি।
গোপালপুরের ভ্রাম্যমাণ দোকানি মহসিন বলেন, আমি দেখলাম টাকা নিলেও মানুষের উপকার হচ্ছে। তাই জেনারেটর ভাড়া করে মোবাইল ফোন চার্জের ব্যবস্থা করেছি। যেহেতু জেনারেটর ডিজেল দিয়ে চলে, তাই খরচ বেশি হওয়ায় সবার কাছে ৪০-৫০ টাকা করে নিচ্ছি।
মাদারীপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কালকিনি উপজেলা অফিসের ডিজিএম মো. আব্দুল মাজেদ জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে কালকিনি উপজেলার বিদ্যুৎতের ৯১টি খুটি হেলে পড়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো ঠিক করতে সময় লাগছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে সকল বিদ্যুতের লাইন চালু হবে।
পূর্বপশ্চিম




