আইন আদালতশিরোনাম

জেলে সাবেক জেলার : ফাঁসছেন আরো ৪৯ পুলিশ

দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে চট্টগ্রাম কারাগারের সাবেক জেলার সোহেল রানা বিশ্বাস এখনো জেলে। গত বছর প্রায় অর্ধকোটি নগদ টাকা, আড়াই কোটি টাকার এফডিআর, ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক এবং ১২ বোতল ফেনসিডিলসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।
সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বেড়িয়ে আসে ভয়াবহ তথ্য। আর এতে করে ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের আরো ৪৯জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
এ ঘটনায় করা তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা দেয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ও তদন্ত কমিটির সদস্য সৈয়দ বেলাল হোসেন।
সেই সময় জেলার সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনিরুল আলমকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আর তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে সোহেলসহ আরো ৪৯ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের প্রমাণ পায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
প্রতিবেদনে কারা বিভাগের ১ জন উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), ২ জন সিনিয়র জেল সুপার, সাতজন ডেপুটিও রয়েছেন ৪৯জনের এ তালিকাতে।
তদন্ত প্রতিবেদনে মোতাবেক অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা- কর্মচারীরা হলেন, তৎকালীন ডিআইজি পার্থ গোপাল বণিক, জ্যেষ্ঠ জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক, জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী, জেলার সোহেল রানা বিশ্বাস, ডেপুটি জেলার মুহাম্মদ মুনীর হোসাইন, মো. ফখর উদ্দিন, মো. আতিকুর রহমান, মুহাম্মদ আবদুস সেলিম, হুমায়ন কবির হাওলাদার, মনজুরুল ইসলাম, সৈয়দ জাবেদ হোসেন, সহকারী সার্জন ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন, রামেন্দু মজুমদার পাল, কর্মচারী লায়েস মাজহারুল হক।
কারারক্ষীসহ অন্য কর্মচারীরা হলেন, মো. আবুল খায়ের, নূর আলম, গাজী আবদুল মান্নান, মো. তাজউদ্দিন আহমেদ, আবদুর করিম, মোসলেম উদ্দিন, বেলাল হোসেন, হিসাবরক্ষক এমদাদুল ইসলাম, ক্যানটিন ম্যানেজার উলিউল্লাহ, এইচ এম শুভন, কাউছার মিয়া, আরিফ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মিতু চাকমা, শহিদুল মাওলা, শরিফ হোসেন, জুয়েল রানা, আনোয়ার হোসেন, স্বপন মিয়া, মহসিন দপাদার, আনজু মিয়া, লোকমান হাকিম, শিবারন চাকমা, ত্রিভূষণ দেওয়ান, অংচহ্না মারমা, রুহুল আমিন, শাহাদাত হোসেন, শাকিল মিয়া, আবদুল হামিদ, ইকবাল হোসেন, শামীম শাহ, মো. উসমান, মো. বিল্লাল হোসেন ও অডিট টিমের সদস্য আবু বকর সিদ্দিকী।
বাংলা

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button