আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো ডেমোক্র্যাটরা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ বা ‘হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা।

আট বছরে প্রথমবারের মত কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ফলে ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবে বাঁধা দেয়ার ক্ষমতা অর্জন করলো।

তবে মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ দখলে রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল।

আর হাউজের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নারী প্রার্থীরা।

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন

কী হচ্ছে হাউজ নির্বাচনে?

যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসি’র সহযোগী নেটওয়ার্ক সিবিএস’এর হিসাব অনুযায়ী, কংগ্রেসের নিম্নতর কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ২৩টি আসনে জয় পাবে ডেমোক্র্যাটরা।

হাউজের ৪৩৫ টি আসনের সবকটিতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোট।

এখন ডেমোক্র্যাটরা মি. ট্রাম্পের প্রশাসনিক এবং ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করতে পারবে।

প্রেসিডেন্টের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত পরিকল্পনাতেও বাঁধা দিতে পারবে ডেমোক্র্যাটরা।

নিউ ইয়র্কের ডেমোক্র্যাট আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ কংগ্রেসে সর্বকনিষ্ঠ নারী হিসেবে যোগদান করে ইতিহাস তৈরি করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মিনেসাটা এবং মিশিগান রাজ্যের দুই ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদও হতে যাচ্ছেন ইতিহাসের অংশ। ইলহান ওইমার এবং রাশিদা ত্লাইব মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রথম স্থানীয় অ্যামেরিকান নারী হিসেবে কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন ক্যানসাস রাজ্যের শারিস ডেভিডস এবং নিউ মেক্সিকো রাজ্যের ডেব্রা হালান্ড।

ক্যানসাস থেকে নির্বাচিত হওয়া প্রথম সমকামী কংগ্রেস প্রতিনিধিও মিজ ডেভিডস।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ?

সিনেট নির্বাচনে কী হচ্ছে?

কংগ্রেসের ঊর্ধ্বতন কক্ষে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখলেও সেখানে তাদের অবস্থান খুব একটা শক্ত নয়।

সিনেটে তাদের আসন ৫১টি আর ডেমোক্র্যাটদের আসন ৪৯টি।

যদিও সিনেট নির্বাচনে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল রিপাবলিকানরা।

এবারের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের লড়াই করতে হয়েছে ২৬টি আসনের জন্য।

সেখানে রিপাবলিকানরা লড়াই করেছে মাত্র ৯টি আসনে।

বিবিসি’র প্রতিবেদক অ্যান্থনি যুরখারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাহী এবং বিচারিক ক্ষমতা ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ পাবেন।

তবে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আইন প্রণয়ন বিষয়ক যে কোনো প্রস্তাবে বাধা দেয়ার ক্ষমতা থাকবে তাদের হাতে।

বিবিসি বাংলা

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button