শিক্ষা

৩০ ডিসেম্বর জেএসসি-জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল

বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক উৎসবকে সামনে রেখে ফলাফল ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক উৎসবকে সামনে রেখে ফলাফল ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে।
আগামী ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক উৎসবকে সামনে রেখে ফলাফল ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার সকালে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তকের ছাপাখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের এ সময় ঘোষণা করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে গতকাল জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ওই তারিখের ব্যাপারে (৩০ ডিসেম্বর) সম্মতি পাওয়া গেছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেদিন (৩০ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক উদ্বোধন করবেন। ১ জানুয়ারি সারাদেশে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালিত হবে। সেদিন সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হবে।
নাহিদ বলেন, এবার আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাঠ্যপুস্তক উৎসবের আয়োজন করা হবে। সেখানে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হয়ে নতুন পাঠ্যবই নিয়ে বাড়ি ফিরবে। নির্ধারিত সময়ে বিনামূল্যের বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের জন্য ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ১৬২টি পাঠ্যপুস্তক ছাপা সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে ৯৭ শতাংশ বই পৌঁছে গেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাকি বই পৌঁছে যাবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের বইয়ের বোঝা কমানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা সে বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। এ বছর নবন-দশম শ্রেনির ১২টি সুখপাঠ্য বই দেয়া হবে। সম্পূর্ণ কালারফুল ও উন্নত মানের কাগজে এসব বই ছাপা হয়েছে। সেসব বইয়ের ছবি দেখে ও পড়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ পাবে।
উল্লেখ্য, এবার জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় মোট ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। গত ১ নভেম্বরে পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৮ নভেম্বর শেষ হয়েছে। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে এবার ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৭ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে প্রাথমিকে ২৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮০৮ জন এবং ইবতেদায়ীতে দুই লাখ ৫৫ হাজার ৭০৯ জন পরীক্ষার্থী। গত ১৯ নভেম্বর এ পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয়েছে ২৬ নভেম্বর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button