বাঘইছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি : তলিয়ে গেছে শতাধিক পুকুর ও ফসলি জমি

মো: ওমর ফরুক সুমন-বাঘাইছড়ি : ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ী ঢলের কারণে বাঘইছড়ির কাচালংনদীর পানি বেড়েই চলেছে। পানি বৃদ্ধর সাথে সাথে বন্যা পরিস্থিতির ও ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। নতুন করে পানি বৃদ্ধির ফলে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুইশতাদিক পুকুর বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে, নিচু জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মারাত্বক ক্ষতির মূখে পথে বসতে হয়েছে অনেক চাষীকে।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেও নতুন নতুন মূখ যোগ হচ্ছে তাই বারছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য মতে ১৩-১৪ টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ২০০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলা প্রসাসকের পক্ষ থেকেও ১৫ মেট্রিকটন খাদ্য শস্য প্রদান করা হয়েছে।
দেখা যায় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস সুমিতা চাকমা এবং বিভিন্ন নারী নেত্রীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ বৃষ্টি উপেক্ষা করে বোটযোগে ঘুড়ে ঘুড়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রের খোজনিতে।সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সসংস্থার লোকও চোখে পড়ার মত।
কথা হয় আশ্রয়কেন্দ্রের এক বাসিন্দার সাথে তিনি বলেন আমরা বড় মানুষ আমরা কষ্ট হলেও মানিয়ে নিতে পাড়ি কিন্তুু, ছোট শিশুদের নিয়েই হলো যত চিন্তা, বিশুদ্ধ পানির সংকট প্রচুর। টিউভওয়েলের পানিও ঘোলা হয়েগেছে।
তাই খেতে পারছিনা। এদিকে কালথেকেই উপজেলা আওয়ামীগের পক্ষথেকে বন্যা দূর্ঘত মানুষদের উদ্ধারের জন্য তাদের সকল নেতা কর্মীকে নির্দেষ দেয়া হয়েছে।
উদ্ধার কাজে অংশনেয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন জানায় হঠাৎ বন্যার কবলে পড়া মানুষ গুলো খুবই অসহায় হয়ে পড়েছে আমরা তাদের সহযোগীতা করছি। এবং দুপুড়ে খাওয়ার ব্যাবস্থাও করেছি।
২০০৭ সালের পড় বাঘাইছড়ি বাসী বন্যার কারণে এমন ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি। পুকুর ফসলি জমী হারিয়ে অনেক কৃষকই পথে বসেছে নষ্ট হয়ে গেছে ফসল, তাই মারাত্বক খাদ্যসংকট এবং কঠিন রোগব্যাধির আশংকা করা হচ্ছে।
বেড়েছে সাপের উপদ্রুপ এরই মধ্যে নাজিম উদ্দিন(২০) মধ্যমপড়ায় একজনকে সাপে কেটেছে, তাই খুব সতর্কতার সহিত চলতে হচ্ছে।
বৃষ্টিপাত না কমলে ভয়াভহ দূর্যোগের আশংকা করা হচ্ছে।
বন্ধ রয়েছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টা এবং অভ্যন্তরিন যোগাযোগব্যবস্থা তাই জন জীবন হয়ে পড়েছে স্থবীর।
একমাত্র নৌকাই এখন চলাচলের একমাত্র ভরসা।




