
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের হরিদাঘোনার পাহাড়ের গুচ্ছগ্রাম এলাকায় প্রশিক্ষণে ব্যবহারিত বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় প্যারাসুট নিয়ে দুই পাইলট নিরাপদে মাটিতে নামতে সক্ষম হলেও বিমানটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে। প্রশিক্ষণরত বিমান বাহিনীর সদস্যরা হলেন উইং কমান্ডার নাজমুল ও স্কোয়ার্ডন লিডার কামরুল হাসান। রাশিয়ার তৈরি বিমানটি ছিল ইয়াক-১৩০। প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত যুদ্ধ বিমানটি চট্টগ্রামের জহুরুল হক বিমান ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে।
এলাকাবাসী জানান, ঘটনার সময় উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের হরিদাঘোনার পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত গুচ্ছগ্রাম মাঠে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার সময় হঠাৎ তিনটি বড় বড় শব্দ শুনে ওই দিকে তাকিয়ে দেখে দুই পাইলট বিমান থেকে প্যারাসুট নিয়ে নেমে যাচ্ছে এবং একটি বিমান হতে প্রচণ্ড ধোয়া বের হচ্ছে মাঠে গিয়ে দেখা যায়। বিমান বাহিনীর ওই সদস্যরা নিরাপদে অবতরণ করলেও ওই এলাকা হতে দেড় কিলোমিটার দূরে কেইচ্ছাবন নামক স্থানে বিমানটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
এরপর বিমান বাহিনীর তিনটি উদ্ধারকারী বিমান এসে পাইলটদের হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যায়। বিকেল ৪টার দিকে বিমান বাহিনীর সাথে উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রসাশন, ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুড়ে যাওয়া বিমানটি উদ্ধার কাজ করে যাচ্ছে।




