
সংবাদদাতা ঃদেশে ফেরার তিন দিনের মাথায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মনোয়ারা বেগম (৬০)। বুধবার টঙ্গীর মধ্য আরিচপুর ৪২/২ নম্বর বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মনোয়ারা পরিবার প্রায় ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন।
স্থানীয়রা জানান, মনোয়ারা তার স্বামী আবুল বাশারের সঙ্গে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে আমেরিকায় বাস করেন। ছেলের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য তিনি গত রোববার দেশে আসেন। আগামী জুলাই মাসে তার ছেলের বিবাহের অনুষ্ঠান করার কথা রয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকজন যুবক ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়ার জন্য আসে। এসময় মনোয়ারা তার ৬তলা বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটটি যুবকদের দেখাতে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারা আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্বজনরা তার চিৎকার শুনে সেখানে গিয়ে মনোয়ারাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে।
তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বেলা আড়াইটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে মাহফুজ আলম বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রে থাকি। আমাদের সঙ্গে কারও কোন শত্রুতা নেই। কেন এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে তা কেউ বুঝতে পারছি না।
টঙ্গী থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে আমি সাথে সাথে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। কারা কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে।



