আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

দক্ষিণ চীন সাগরে দ্বীপ তৈরির ব্যাপারে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জেমস ম্যাটিস দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নতুন দ্বীপ বানানোর সমালোচনা করেছেন।
সিঙ্গাপুরে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে মিঃ ম্যাটিস বলেছেন, চীনের সামরিক শক্তিবৃদ্ধি ওই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে।
চীন এখনও পর্যন্ত মিঃ ম্যাটিসের মন্তব্যে কোন প্রতিক্রিয়া দেয় নি।
সম্পদ-সমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগরকে চীন নিজের এলাকা বলে যে দাবি করে অনেক দেশই তার বিরোধী।
চীন সেখানে মাটি ফেলে নতুন দ্বীপ গড়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে জেনারেল ম্যাটিস বেশ কড়া ভাষায় তার সমালোচনা করেছেন।
আরো পড়ুন: মালয়েশিয়ায় সমকামিতা বন্ধে সরকারের উদ্যোগে ভিডিও তৈরির প্রতিযোগিতা
ব্রিটিশ নির্বাচন: ম্যানচেস্টার হামলা কি ভোটের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে?
তিনি এই কৃত্রিম দ্বীপ তৈরিকে ব্যাখ্যা করেছেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র এলাকায় সামরিক শক্তিবৃদ্ধির প্রয়াস হিসাবে।
তিনি বলেছেন, “কোনো দেশের কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সামরিক শক্তি বাড়ানো এবং এভাবে সমুদ্র এলাকায় তার দখল বিস্তৃত করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।”
“বর্তমান পরিস্থিতির একতরফা পরিবর্তন আমরা মানতে পারি না। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে এই সমুদ্র এলাকা বিমান ও জাহাজ চলাচলের জন্য ব্যবহার আমরা অব্যাহত রাখব,” বলেন তিনি।

বিভিন্ন দেশ এই জলসীমার মালিকানা দাবি করছে

জেনারেল ম্যাটিস বলেছেন, চীন অর্থনৈতিকভাবে খুবই শক্তিশালী কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে এককভাবে আন্তর্জাতিক আইন তারা অমান্য করবে।
তবে তিনি চীনের সমালোচনা করলেও পাশাপাশি উত্তর কোরিয়াকে তার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে চীনের প্রয়াসের তিনি প্রশংসাও করেছেন।
উত্তর কোরিয়া এবছর পরপর কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর কয়েকদিন আগেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ দেশটির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার মাত্রা আরও বিস্তৃত করেছে।
আমেরিকা ও চীনের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতভাবে এই নিষেধাজ্ঞার সমর্থনে ভোট দেয়।
অনেকে মনে করছেন, সেকারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনকে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে কিছুটা ছাড় দিতে রাজি কারণ উত্তর কোরিয়ার মোকাবেলা করতে আমেরিকা চীনকে পাশে রাখতে চায়। সুত্র ঃ বিবিসি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button