sliderস্থানিয়

বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর যশোর জেলা কাউন্সিলে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর: বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর ২২তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর যশোর জেলা শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল ৫টায় সংগঠনের যশোর জেলা কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
কাউন্সিলের শুরুতে সংগঠনের প্রয়াত সাবেক ছাত্রনেতা এবং গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের সকল শহীদ ও প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির যশোর জেলা কমিটির সদস্য কমরেড শামীম বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা কমরেড কাইয়ুম শিকদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও যশোর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান, সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রাশেদ খান এবং যশোর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শ্যামল শর্মা।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের দীর্ঘ ঐতিহ্য ধারণ করে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী শিক্ষা, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্যবিরোধী সংগ্রাম এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমান সময়ে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, গণতান্ত্রিক অধিকার সংকোচন, সাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্য এবং শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা। একই সঙ্গে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কাউন্সিল শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ২১ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর যশোর জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে শাহারিয়ার বাবর বাঁধনকে আহ্বায়ক, প্রণব রায় ও আফান হোসেন সাগরকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিপ্লব ঘোষকে সদস্য সচিব মনোনীত করা হয়।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন রমেন বিশ্বাস, সুমন বিশ্বাস, সাদমান অরি, জয় অধিকারী, জফরুল ইসলাম জাফর এবং মাহফুজ হাসান।

কাউন্সিলে জানানো হয়, জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অবশিষ্ট সদস্যদের নাম অচিরেই ঘোষণা করা হবে।
নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি যশোর জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলা এবং প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button