
পতাকা ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের জন্য কাউকে দেশের বাইরে থেকে এসে নেতৃত্ব দিতে হয়নি। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বেও সেই পতন ঘটেনি; বরং ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই হাসিনার পতন ঘটেছে।
আজ (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ‘জুলাই স্মৃতি’তে এবি পার্টির পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আমার বাংলাদেশ পার্টির ( এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এসব কথা বলেন।
মঞ্জু বলেন, আমরা বারবার বলি, জনগণের বিরুদ্ধে যদি কেউ দাঁড়ায়, শেষ পর্যন্ত জনগণই তার পতন ঘটায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারই প্রমাণ। কিন্তু আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও চেতনাকে ক্রমেই বিস্মৃত হচ্ছেন, যদিও মুখে জুলাইকে ধারণ করার কথা বলছেন।দেশের মানুষ আজ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। ঘরে ঘরে গ্যাস নেই, গ্রামগঞ্জে বিদ্যুতের সংকট রয়েছে। এসব দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার ফল।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন,দলীয়করণ করবেন না, সন্ত্রাসের আশ্রয় নেবেন না, মানবাধিকার লঙ্ঘন করবেন না এবং বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করবেন। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তারা নিজেদের সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছেন। আজ রড দিয়ে মানুষের চোখ উপড়ে ফেলার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটছে, এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও হামলার শিকার হতে হচ্ছে।
জুলাই সনদের প্রসঙ্গে মঞ্জু বলেন, জুলাই সনদকে অক্ষরে অক্ষরে পদদলিত করা হচ্ছে। জুলাই সনদ কোনো কাগুজে দলিল নয়; এটি আবু সাইদ, মুগ্ধ, আয়মনসহ জুলাইয়ের শহীদদের রক্তে লেখা এক ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করাই আজকের রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান,আলতাফ হোসেন, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন,সাংগঠনিক সম্পাদক ( বরিশাল) গাজী নাসির, শ্রম বিষয়ক শাহ আব্দুর রহমান, গণশিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক আনোয়ার ফারুক, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান, মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ কবির, উত্তরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা, আমেনা বেগম, উদ্দ্যেক্তা বিষয়ক সহ সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা,যুব পার্টির মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা মোহসীনুল হক চৌধুরী, সাব্বির আহমেদ তানিম,নারী নেত্রী ফেরদৌসী আক্তার অপি,
যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক সুলতান আরিফ, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, কদমতলী থানার আহ্বায়ক কাজী খোকন,কেরানীগঞ্জ থানার সদস্য সচিব সেলিম রেজা, পল্টন থানার সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম,বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আমিন সরকার ও কেরানীগঞ্জের প্রচার সম্পাদক ইয়াহিয়া হাসান।




