দশ টাকার চাল আ.লীগের নেতাকর্মীরা লুটপাট করে খাচ্ছে : এরশাদ
সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, সরকারের দেয়া গরীব মানুষের জন্য দশ টাকা কেজি দরের চাল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লুটপাট করে খাচ্ছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর মহানগরীর কেরানীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অবঃ) খালেদ আখতার, জেলা আহবায়ক সাবেক সংসদ সদস্য মোফাজ্জল হোসেন, সদস্য সচিব সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, মহানগর জাপা আহবায়ক সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব এস এম ইয়াসির প্রমুখ।
তিনি বলেন, আমাকে বেগম খালেদা জিয়া জেলে রেখে হত্যা করতে চেয়েছিল। আর সেই আদেশ পালন করেছে বেঈমান শাহাবুদ্দিন। আমাকে জেলে নিয়েছে। কিন্তু আমাকে হত্যা করতে পারে নাই। আমি রংপুরের মানুষের দোয়ায় আজও বেঁচে আছি। আমি মরি নাই। আর এখন আমি এ অপেক্ষায় আছি বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে কবে জেলে যাবে। তা দেখে যেতে চাই।
তিনি আরো বলেন, সরকার দেশে বর্তমান গরীব মানুষের জন্য দশ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির যে উদ্যোগ নিয়েছে। তা গরীব মানুষের কাজে লাগছে না। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই তা লুটপাট করে খাচ্ছে। গরীব মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে যদি গরীব মানুষ নাই থাকবে তা হলে দশ টাকা কেজি দরে চাল কার কাছে বিক্রি করছেন? আর আমরা রংপুর অঞ্চলের মানুষ কতটা দরিদ্র এবং বঞ্চিত তা ঢাকার বস্তিগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায়। সেখানে যারা জীবন বাঁচাতে প্রতিদিন রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি টানছে, বিভিন্ন কলকারখানায় নানাকাজের মধ্য দিয়ে জীবন বাঁচার যুদ্ধ করছে তারা সিংহভাগ আমাদের এ অঞ্চলের গরীব মানুষ।
এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টির ঘাঁটি রংপুরে রংপুর ফাটল ধরেছে তা এখন শক্ত হাতে ঠিক করতে হবে। নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো সংশয় কোনো বিভেদ রাখা যাবে না। আমরা আমাদের রংপুর অঞ্চলের ২২টি আসন আবারও উদ্ধার করতে চাই। সে লক্ষ্য নিয়ে দলের কাজ করার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের আহবান জানান।
তিনি এ জনসভার মধ্য দিয়ে রংপুরে তার নির্বাচনী প্রচারনার কাজ শুরু করলেন বলে ঘোষণা দেন।




