sliderস্থানিয়

প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দফা দাবিতে যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান

স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর: ঢাকা-যশোর পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পে যশোরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত রেলসেবা প্রদান এবং অবিলম্বে ভোরবেলা যশোর থেকে ঢাকাগামী ও সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে যশোরমুখী আন্তঃনগর‘প্রভাতী ট্রেন’ চালুসহ ৬ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি’র উদ্যোগে যশোর রেলওয়ে জংশনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
সারাদিনের বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মেগা প্রকল্প ‘ঢাকা-যশোর পদ্মা সেতু রেল লিংক’ চালু হলেও যশোরবাসী এর প্রকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রকল্পের নাম ঢাকা-যশোর রাখা হলেও সময়সূচি ও ট্রেনের সংখ্যার ক্ষেত্রে যশোরকে অবহেলা করা হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে ট্রেনের যে শিডিউল রয়েছে, তা ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবি, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসা প্রত্যাশী সাধারণ যাত্রীদের চাহিদার সাথে মোটেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কাজের প্রয়োজনে যাদের দিনে গিয়ে দিনে ঢাকা থেকে ফিরতে হয়, একটি ভোরের ট্রেনের অভাবে তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা রেলের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন। উল্লেখিত দাবির মধ্যে রয়েছে বেনাপোল/দর্শনা-যশোর-ঢাকা রুটে অবিলম্বে একটি‘প্রভাতী’ আন্তঃনগর ট্রেনসহ মোট ৩টি নতুন ট্রেন চালু করা।

সাধারণ ও নিম্নআয়ের যাত্রীদের সুবিধার্থে সব আন্তঃনগর ট্রেনে পর্যাপ্ত সাধারণ বগি (কোচ) যুক্ত করা।রেলের সক্ষমতা বাড়াতে দর্শনা-খুলনা এবং বেনাপোল-যশোর রুটে দ্রুত ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা।সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর হয়ে ঢাকাগামী নিয়মিত কমিউটার ট্রেন চালু করা।

সিঙ্গিয়া রেল স্টেশনে অবিলম্বে ‘ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল’ (আইসিটি) চালু করা।
গণপরিবহনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে রেল ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। গণপরিবহনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে রেল ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।

সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২০২৩ সাল থেকে তারা স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন ও বিক্ষোভের মতো শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছেন। বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়ন করেনি। আজকের এই অবস্থান কর্মসূচির পরও যদি অবিলম্বে দাবি পূরণ করা না হয়, তবে আগামীতে রেল অবরোধসহ আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সিঙ্গিয়া রেল স্টেশনে অবিলম্বে ‘ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল’ (আইসিটি) চালু করা।
গণপরিবহনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে রেল ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।

কর্মসূচিতে সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক কাওসার আলী, সদস্য সচিব প্রকৌশলী রুহুল আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান ভিটুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ যাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button