sliderস্থানিয়

হরিরামপুরে ভূয়া সমন্বয়কারী পরিচয়ে চাঁদাবাজীর অভিযোগে মানববন্ধন

মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জে ভূয়া সমন্বয়কারী পরিচয়ে চাঁদাবাজী,ভয়ভীতি, হুমকি, ভূমি দখল এবং মিথ্যা মামলায় ফাসানোর অভিযোগে সোহেল রানার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন হরিরামপুরবাসী। 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় জেলার হরিরামপুর উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে হরিরামপুর উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা,ভূয়া সমন্বয়কারী পরিচয়ে চাঁদাবাজী, সাধারণ মানুষকে ভয় ভীতি ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার দাবিতে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান।

ভূয়া সমন্বয়ককারী সোহেল রানার কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ অত্র এলাকার জনসাধারণ এমনটি মন্তব্য করেন-ভুক্তভোগীরা।

উপস্থিত বক্তারা মানবন্ধনে বলেন, সোহেল রানা একজন ভূয়া সমন্বয়ক, প্রতারক, বাটপার এবং সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে প্রতিনিয়ত, তার জ্বালায় অতিষ্ঠ সর্ব সাধারণ জনগন।

আমরা প্রশাসনের কাছে জোরদার দাবি জানাচ্ছি, অতিদ্রুত এই প্রতারকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

জেলা প্রশাসক ও হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতারককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জোরদার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত বক্তরা বলেন,অতিদ্রুত এই প্রতারকে আইনের আওতায় না আনা হলে সামনে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেন।
ভুক্তভোগীরা জানায়,আমাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে এবং মুখ খুললেই প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে।
আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি প্রতিনিয়ত।

সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানা উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামের হাকিম উদ্দীন (মাস্টার) এর পুত্র। পারিবারিক ভাবে জমি সংক্রান্ত বিবাদ জের সূত্র ধরে নিজেদের মধ্যে বাগদন্ড রয়েছে এমনটি মন্তব্য করেন সোহেল রানার পরিবার।
অপরপক্ষে সোহেল রানাকে এ বিষয়ে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জিজ্ঞেসা করলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

কিন্তু আমি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়ম দূর্নীতি রুখতে প্রতিবাদ করায় কিছু মানুষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও গুজব রটাচ্ছে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনূর আক্তারকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি অবজ্ঞত আছি,সুনিশ্চিত অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রশাসনিকভাবে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এ বিষয়ে নিয়ে হরিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমানকে মুঠোফোনে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবজ্ঞত আছি,চাঁদাবাজীর বিষয়টির ব্যাপারে সুনিশ্চিত প্রমান পাওয়া গেলে কিংবা কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে,তাৎক্ষণিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button