
পতাকা ডেস্ক: ঐক্যমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক বলেছেন, শুরু থেকেই এবি পার্টি বলে আসছিলো যে, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টর জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত নয় কিন্তু জাতীয় ঐক্যমত্যের স্বার্থে এটির পক্ষে আমরা মত দিয়েছি।
উচ্চ-কক্ষ যদি ভোটের পিআর পদ্ধতি না হয় তাহলে এটি কার্যকরী হবে না এবং আমরা এই জায়গায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট আমাদের দেশের জন্য অনুপযোগী বলে মনে করছি এবং আমরা আমাদের পূর্বের জায়গায় ফিরে যওয়ার চিন্তা করছি। এমন দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টে শুধু শুধু রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হবে, যা আমরা কোনভাবেই কামনা করি না।
দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
ব্যারিস্টার সানী আরো বলেন, ভালো আলোচনা হচ্ছে, সবাই একমত পোষণ করছে কিন্তু বিএনপির নিকট এসে সব আলোচনা থেমে যাচ্ছে।
আমরা তাই কমিশনকে উষ্মা প্রকাশ করে বলেছি, আগে বিএনপির সাথে বসে আলোচনা করেন, বিএনপি কি চায় আর কি না চায়! তাহলে এতো সময়ের অপচয় হবে না।
তিনি আরো বলেন, এট আগে আমরা বিরতির আগে বলেছি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়োগগুলো একজনের হাতে ন্যাস্ত থাকার কারনে গত ১৬ বছরে অনেক জটিলতা তৈরি হয়, রাষ্ট্র একজন ব্যাক্তি কিংবা একটি দলকেন্দ্রিক হয়েছিলো। সেই অভিজ্ঞতার আলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়োগগুলো সম্পন্ন করার জন্য এনসিসির পরিবর্তে একটা নিয়োগ কমিটি করার প্রস্তাব দেয়, যেখানে একজন ব্যাক্তির কর্তৃত্ব থাকবে না, এটির সাথে আমরা একমত পোষণ করেছি এবং রাজনৈতিক দলগুলো ২-৩ টি বাদে সকলেই এই কমিটি চায়। ঐক্যমত্যে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে আরেকবার ভেবে দেখার জন্য বলেছেন।
এবি পার্টির পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক ও সহকারী দপ্তর সম্পাদক সরন চৌধুরী




