sliderস্থানিয়

পদ্মাতীরবর্তী আন্ধারমানিক দাখিল মাদ্রাসা এখনো হয়নি এমপিওভুক্ত, দূর্ভোগে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ

মোহাম্মদ আলী,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার আন্ধারমানিক ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা এখনো হয়নি এমপিওভুক্ত, দূর্ভোগে পড়েছে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
মাদ্রাসার EIN NO:-110946।এটা বর্তমানে হরিরামপুর উপজেলার আন্ধারমানিক বাজার সংলগ্ন আন্ধারমানিক হাফেজিয়া মাদ্রাসার পাশেই অবস্থিত। এখানে দুটি শাখা রয়েছে : ইবতেদায়ী এবং দাখিল মাদ্রাসা।

সূত্রে জানা গেছে, ইবতেদায়ী পর্যায়ে মাত্র ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও দাখিল (মাধ্যমিক) পর্যায়ে ৬ষ্ঠ হতে দশম শ্রেনী পর্যন্ত মুষ্টিময় অর্ধশতাধিক এর চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করে না বলে আমাদের জানিয়েছেন অত্র মাদ্রাসার একজন শিক্ষিকা।
মাদ্রাসার একজন শুভাকাঙ্খী মো:ফরিদুল ইসলাম জানান,অত্র প্রতিষ্ঠানে আগে মোটামুটি ভালো শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেছে কিন্তু বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস না হওয়ার কারণে নতুন ছাত্র-ছাত্রী তেমন আসে না বললেই চলে। এটা আমাদের জন্য (প্রতিষ্ঠান) এর জন্য দুঃখের বিষয়।

মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মো: হানিফ খানের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানে এক সময় ২৫০জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করতো এবং দূর্গম চরাঞ্চল এলাকার অনেকেই এখনো পড়াশোনা করছে। কিন্তু আমাদের প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক -শিক্ষিক্ষা এবং কর্মচারীদের কোন সম্মানী না থাকায় ঠিক মত প্রতিষ্ঠানে আসে না।
আমরা এমপিভুক্ত করার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (মাউশি)বরাবর স্মারক লিপি সহ এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে মন্ত্রনালয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ও শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি অতিদ্রুত প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত করা সময়ের দাবি এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যেন নিয়মিত পাঠদান আগের মতো চালু রাখতে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও অত্র এলাকার সুশীল এবং বৃত্তশালীদের এগিয়ে আসার উদাত্ব আহ্বান জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ আমাদের জানান, এমপিওভুক্ত করার জন্য আমরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ হতে লিখিত স্মারক লিপি পেয়েছিলাম অনেক আগে আমরা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি সাথে সাথে। আমরা আশাবাদী দ্রুত এটা কার্যকর হওয়ার ব্যাপারে বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়ার চেষ্টা করবো।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনূর আক্তার সাংবাদিকদের মুঠোফোনে আরো জানান, আমি নতুন এসেছি এ বিষয়ে আমি আপনারা বলার পরে অবজ্ঞত হলাম, আমি জেলা প্রশাসক মহোদয় এর সাথে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলে অতিদ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করবো,যাতে প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান আগের মতো শুরু হয় এবং শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদানে অংশগ্রহণ করতে পারে।আর এমপিওভুক্ত হওয়ার ব্যাপারে আমি আমার ডিসি মহোদয়ের সাথে সমন্বয় করে ওপর মহলে তাগিদ দেওয়ার চেষ্টা করবো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button