শাসকগোষ্ঠীর লুটপাট সব মাত্রা অতিক্রম করেছে : সিপিবি

সিপিবি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশ এবং জনগণ আজ সাম্রাজ্যবাদ, লুটপাটতন্ত্র, সাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্রহীনতা এই চার শত্রু দ্বারা আক্রান্ত। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ হাতিয়ার হিসেবে সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করতে গিয়ে ‘জঙ্গিবাদ’-এর জন্ম দিয়েছে। তাদের তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধ’ কৌশলের ফাঁদে বাংলাদেশকে আটকে ফেলতে সর্বাত্মক ষড়যন্ত্রে মেতেছে। অন্যদিকে এদেশের শাসকগোষ্ঠী যে সর্বব্যাপী লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে তা সকল মাত্রাকে অতিক্রম করেছে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধ্বজাধারী ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকারকে অপহরণ করেছে। ক্ষমতাসীন সরকার দিন দিন সর্বাত্মক ফ্যাসিবাদী প্রবণতার দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। চলমান গণতন্ত্রহীনতা এবং স্বৈরাচারী শাসন জঙ্গিবাদের উত্থানের সহায়ক।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এই অবস্থায় জনতার ঐক্য গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। তারা সাম্রাজ্যবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক গণসংগ্রাম গড়ে তোলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ-বিএনপি বলয়ের বাইরে একটি বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের ডাক দেন।
সমাবেশ থেকে শান্তিনগরের স্থানীয় সমস্যা সংকটসমূহ নিরসনের দাবি উত্থাপন করা হয়। জলাবদ্ধতার সংকট, শান্তিনগর-মালিবাগ এলাকার ভাঙা রাস্তা সংস্কার, খাবার পানি ও গ্যাসের সংকট নিরসন এবং শ্রমিক-কর্মচারিদের জন্য ন্যূনতম জাতীয় মজুরি ১০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি উত্থাপন করা হয়।
সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে পার্টির একাদশ কংগ্রেসের খসড়া রাজনৈতিক প্রস্তাবের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
কাউন্সিল শাখার সম্পাদক হিসেবে মঞ্জুর মঈনকে পুনঃনির্বাচিত করে এবং জহর লাল রায়কে সহকারী সম্পাদক নির্বাচন করে।
সিপিবি শান্তিনগর শাখার সদস্য শ্রমিকনেতা জলি তালুকদারের সভাপতিত্বে শাখার সম্পাদক মঞ্জুর মঈনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিপিবি পল্টন থানা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম.এ. তাহের, শ্রমিক নেতা হযরত আলী, যুবনেতা ত্রিদিব সাহা, ইয়াসিন স্বপন, জাহিদ, নগর ছাত্রনেতা জহরলাল রায়, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।




