রাজনীতিশিরোনাম

জাতীয় ঐক্যের খাতা থেকে বেগম জিয়ার নাম আগেই কাটা গেছে-তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বেগম জিয়া জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেও জাতীয় ঐক্যের খাতা থেকে তার নাম আগেই কাটা গেছে। কারণ তিনি জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের লালন পালন করে থাকেন।
তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাসীদের লালন পালন করে থাকেন তাদের সাথে জাতীয় ঐক্য হতে পারে না। আগুন সন্ত্রাসী বেগম জিয়ার জাতীয় ঐক্যের কথা ভরং ছাড়া আর কিছু নয়।
মন্ত্রী আজ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশনের মিলনায়তনে (আইডিইবি) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ ও আইডিইবি যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জঙ্গী ও সন্ত্রাস বিরোধী এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কখা বলেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সভাপতি নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম কর্ম সংস্থান মন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু। বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা প্রমূখ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়া জঙ্গীদের ছেড়ে আসতে পারবে না। কারণ তিনি জঙ্গীদের সাথে গাটছাড়া বেধেছেন। আমরা বুঝিনা জঙ্গীদের কোলে নিয়ে জাতীয় ঐক্য হয় কি ভাবে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার কারখানা থেকে জঙ্গী উৎপাদন হয়। তিনি জঙ্গী ও সন্ত্রাসী উৎপাদনের কারখানা তেরি করেছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস বন্ধ হয়েছে বলেই এখন জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে তা নির্মূল হতে চলেছে।
শাজাহান খান বলেন, বেগম জিয়া পণ করেছিলেন যত দিন পর্যন্ত আন্দোলন সফল না হবে ততো দিনে তিনি ঘরে ফিরে যাবেন না। আন্দোলনে তো সফল হননি বরঞ্চ বেগম জিয়াকে ঘরে উঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইসলামে জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই। যারা আল্লাহু আকবর বলে মানুষ হত্যা করে তারা মুসলমান নন।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতা হান্নান শাহর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তিনি এক গোল টেবিল আলোচনায় যা বলেছেন তাকে মানুষ পাগল ছাড়া আর কিছু বলবে না। হান্নান শাহ বলেছেন কল্যাণপুরে যে সমস্ত জঙ্গী মারা গেছে তারা আদৌ জঙ্গী কিনা সন্দেহ রয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি জঙ্গীদের রক্ষার জন্য জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে। বেগম জিয়া জঙ্গির পক্ষে আর শেখ হাসিনা স্বাধীনতার পক্ষে।
মজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমাদের বিরক্ত করে কোন লাভ হবে না। কারণ আমাদের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।
তিনি বলেন, আমেরিকার ইস্টার্ন টাইমস বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্ষুধা দারিদ্র প্রভৃতি মোকাবেলায় একটি রোল মডেল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় চেতা। তিনি বাংলাদেশের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছেন। বাসস

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button