
পতাকা ডেস্ক : চলমান কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সারা দেশে চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’। বৃহস্পতিবার মিরপুর ১০ নম্বরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমাবেশ ছিল। সেখানে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার চেষ্টা করে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিলে সমাবেশের চেয়ার রেখে পালায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় দূর থেকে আ.লীগের নেতারা ইটপাটকেল ছুড়লে শিক্ষার্থীরা ফের ধাওয়া দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সমাবেশ চলাকালে ওই এলাকায় হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারী উপস্থিত হয়। তারা ধাওয়া দিলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান। আন্দোলনকারীরা সমাবেশের জন্য আনা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন, দুপুর সোয়া ১২টার পরে আন্দোলনকারীরা ধাওয়া দিয়ে পুলিশকে মিরপুর থানার দিকে নিয়ে যায়। আবার পুলিশ ধাওয়া দিয়ে আন্দোলনকারীদের মিরপুর ১০ নম্বরের দিকে নিয়ে যায়।
এসময় পুলিশ টিয়ার শেল ছুড়ে, গুলি করে ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সংঘর্ষের এলাকায় রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমপক্ষে ৫টি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
মিরপুর ও এর আশপাশের এলাকায় সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
হামলার প্রতিবাদে আজও সারা দেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।
জরুরি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ ও খাদ্য পণ্য বহনকারী যানবাহন এই শাটডাউনের আওতার বাইরে থাকার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা।




