সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত কামরুলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ: গুলশান আরট্রিজান রেস্তোরায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন মানিকগঞ্জের কাটিগ্রামের সন্তান সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম কামরুল।তার মৃত্যুতে গ্রাম জুড়ে চলছে শোকের মাতম।আত্ম প্রত্যয়ী এই তরুনের মৃত্যুতে এলাকার শোকের মাতম চলছে।
২ ভাইয়ের মধ্যে কামরুল ছিলো বড়। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কামরুল বাংলা বিভাগে মাষ্টার্স পাশ করে চলে যান ইতালী। সেখান থেকে ৩ বছর পর ফিরে এসে ৩০ তম বিসিএসে উত্তীর্ন হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। শারদায় ট্রেনিং শেষে ঢাকায় ডিবি’র সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। কামরুল ছিলেন নিষ্ঠাবান পুলিশ অফিসার এবং সেই সাথে তিনি ছিলেন একজন সমাজ সেবক।ন চাকুরির ৪ বছরের মধ্যেই তিনি এলাকায় গড়ে তুলেন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অপর দিকে সাধারন শিশুদের জন্যও গড়ে তুলেন নজরুল বিদ্যাসিঁড়ি নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠান।তার নিজের রেশনের সব পণ্যই তিনি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশুদের খাবারের জন্য দিতেন।
কামরুল মামাতো বোন উম্মে সালমাকে বিয়ে করেন। সামি নামে তার ৫ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।সালমা বর্তমানে সন্তান সম্ভাবা। তার স্ত্রী ধামরাই বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। গ্রামের বাড়িতে কামরুলের মা,দাদী থাকেন। ছোট ভাই সামছুজ্জামানও ঢাকায় চাকুরি করেন।
ঈদের ছুটিতে কামরুলের বাড়িতে আসার কথা ছিল,সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ায় এখন গ্রামবাসি অপেক্ষা করছে তার লাশের জন্য।




