পানি নিষ্কাশন পাইপের মুখ বন্ধ করায় জনদুর্ভোগে গোহাট্টাবাসী

আল আমিন কবির, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ: পচা পানির দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে জমে হাটু পানি, বাসাবাড়িতে সেই পানি ঢোকে সৃষ্টি হচেছ জলাবদ্ধতা অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে কতিপয় সুবিধাভোগী ব্যক্তি বহুতল ভবন নির্মাণের মাটি দিয়ে সরকারি হালটের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করাকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা
সোনারগাঁও উপজেলার মোগড়াপাড়া ইউপি’র ১ নং ওয়ার্ডের প্রান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন একটি জনবহুল গ্রাম গোহাট্টা
এই দৃশ্য দেশে বুঝার উপায় নেই যে বৃষ্টির পানি আটকে আছে। এই দৃশ্য দেখে মনে হবে বন্যা কবলিত এলাকা তলিয়ে গেছে মানুষের ঘরবাড়ি এর মাঝেই জীবন যাপন করছে নিরীহ মানুষজন
জলাবদ্ধতায় সীমাহীন দূর্ভোগ আর মানবেতর জীবন কাটাচেছ গোহাট্টা গ্রামের বাসিন্দারা গ্রামবাসী ও পথচারীদের চলাচলে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে।
স্থানীয়দের দৈনন্দিন নিত্য পন্য বাজার সদাই সহ কেমলমতি স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এই সড়কটি দিয়ে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় পূর্বে এলাকাবাসীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জলাবদ্ধতা ও পানিনিষ্কাশনের জন্য একটি ১০ইঞ্চি পাইপ ও ১১ টি চৌবাচ্চা দিয়ে ৫৫০ ফিটের পানি নিষ্কাশনের জন্য সরকারী হালট দিয়ে বলেশ্বরী খালে নামানোর ব্যবসথা ছিলো কতিপয় সুবিধাভোগী ব্যক্তি( শাহজাহান মাষ্টার) বহুতল ভবন নির্মানের মাটি দিয়ে সরকারী হালটের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করাকেই দায়ী করছেন এলাকাবাসী।
পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ থাকায় পানি ঠিকমতো নামতে পারে না। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটুপানি জমে। অনেকের বাসাবাড়িতেও পানি ঢোকার অবস্থা হয়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শাহজাহান মাষ্টারের সাথে তার গোহাট্টা এলাকার বাসায় যোগাযোগ করতে চাইলে গণমাধ্যমে কথা বলতে অস্বীকৃত প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আ: আজিজ বলেন- যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। পচা পানির দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। হেঁটে যাওয়ার উপায় থাকে না। প্রতিনিয়ত ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয়রা এই পচা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহনে যথাযত কর্তপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী
এবিষয়ে মোগড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান শিপন সরকার জানান পানি নিষ্কাশনের জন্য এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে একটি ১০ ইঞ্চি পাইপ ও ১১ টি চৌবাচ্চা দিয়ে ৫৫০ ফিটের পানি নিষ্কাশনের জন্য সরকারী হালট দিয়ে বলেশ্বরী খালে নামানোর ব্যবসথা করছিলাম কতিপয় সুবিধাভোগী ব্যক্তি বহুতল ভবন নির্মানের মাটি দিয়ে সরকারী হালটের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করার জন্যই পানি গুলো আটকে রয়েছে জনদূর্ভোগের কারন হয়েছে
বিষয়টি সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল ইসলাম কে অবহিত করা হলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবসথা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।




