slider

একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধারণ করে প্রজন্মকে এগিয়ে যেতে হবে-ড. অনুপম সেন

সেলিম চৌধুরী, পটিয়া: বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ও একুশে পদক প্রাপ্ত, প্রিমিয়ার বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন বলেছেন, ইতিহাস ঐতিহ্য চারণ ভূমি পটিয়া। পটিয়ার প্রয়াত কৃতি পুরুষ মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ ও কবি শশাংক মোহন সেন এবং বিট্রিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রথম নারী শহীদ বীরকন্যা প্রীতিলতাসহ অসংখ্য কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবি, মহা মনষীদের জন্ম ভূমি এই পটিয়া। সাহিত্য বিশারদের উত্তর পুরুষ নানাক্ষেত্রে দেশ ও জাতির কন্যাণে অবদান রেখে চলেছে। তিনি আরো বলেন পটিয়া পৌরসভা মেয়র ও কর্তৃপক্ষে উদ্যোগে পটিয়ার প্রয়াত ও জীবিত মহান গুনী ও কৃতি সন্তানদের সন্মাননা আয়োজন করায় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে এ ধরনে মহতি উদ্যোগ অব্যাহত রাখা গেলে নতুন প্রজন্ম পটিয়ার ইতিহাস ঐতিহ্য সর্ম্পকে জানবে এবং গুনীজনদের অনুসরণ করে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাবে।

তিনি আরো বলেন, ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয় সেই থেকে এখন পর্যন্ত ১৯৩টি দেশে একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, রফিক, সালাম, বরকত ও জব্বার ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিল। তাদের রক্তের বিনিময়ে কেবল মায়ের ভাষা নয়, স্বাধীনতার বীজও রোপিত হয়েছিল। অমর একুশ আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মুল্যবোধকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি গতকাল রবিবার (১৯ ফেব্রæয়ারী) পটিয়া পৌরসভার উদ্যোগ অমর একুশ উপলক্ষে পটিয়ার গর্বিত সন্তানদের গুনীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এ কথা বলেন।

পটিয়া পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ আইয়ুব বাবুলের সভাপতিত্বে সন্মাননা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সাবেক সচিব জামাল উদ্দিন আহমেদ, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় ডীন ও অধ্যাপক ডা. কাজী আহমদ নবী, ঢাবি’র ড. নিহার করিম, একুশে পদকপ্রাপ্ত আহমেদ ইকবাল হায়দার, বাংলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত মিলন কান্তি দে, কবি মিনার মনসুর, সাবেক প্রধান বিচারপতি’র পুত্র ব্যারিষ্টার আহমদ নকীব করিম, একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত ও ইতিহাস খসড়া সম্পাদক মুহাম্মদ শামসুল হক, চারুকারু কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল আলিম, মাওলানা ফজল করিম, ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, নুর নাহার জালাল, মোস্তাক আহমদ, কাউন্সিলর শফিউল আলম, গোফরান রানা, ছরওয়ার কামাল রাজীব, জসিম উদ্দিন, মহিলা কাউন্সিলর বুলবুল আকতার, ফেরদৌস বেগম, ইয়াসমিন আকতার চৌধুরী, পৌর সচিব নেজামুল হক প্রমুখ।

পরে সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুনীজনের মধ্যে ৫ জন মরনোত্তর ও ১০ জন বিশিষ্ট গুনীজনকে সন্মাননা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button