slider

মানিকগঞ্জে নিখোঁজের ৯দিন পর শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার : থানায় হত্যা মামলা

ঘিওর, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নিখোঁজ হওয়ার ৯ দিন পর মোঃ সাগর হোসেন (১৪) নামের ৮ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

নিহত সাগর উপজেলার ছোট শ্যামপুর এলাকার মোঃ মামুদ আলীর ছেলে। সে চরমাস্তুল মুন্সি বন্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীতে পড়াশোনা করতো।

এঘটনায় আজ শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) নিহত সাগরের পিতা মো: মামুদ আলী বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলার খলশী ইউনিয়নের পারমাস্তুল নদীর পাড়ে সাগরের মৃতদেহটি দেখতে পায়। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এরআগে গত ২১ডিসেম্বর রাতে নিখোঁজ হয় সাগর।

মামলার আসামীরা হলো-দৌলতপুর উপজেলার ছোট শ্যামপুর এলাকার শায়নালের স্ত্রী মোছা:শেফালী বেগম (৪০), ঘিওর উপজেলার বড়বিলা এলাকার ইকবালের স্ত্রী ও শায়নালের মেয়ে মোছা: রিমা বেগম (২২) এবং ইকরামের ছেলে ও শায়নালের মেয়ের জামাতা ইকবাল (২৮)।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, বিবাদীগণ দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রকাশ্যে বাদীকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল।
এরই জেরে গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে বাদীর মেঝো ছেলে মো: সাগর শেখ (১৫) নিজ বাড়ি থেকে অটো-রিক্সা নিয়া ঘিওরের তেরশ্রী গ্রামের বিজয় মেলার যাওয়ার সময় বিবাদীগন অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের সহযোগীতায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাদীর ছেলেকে হত্যা করে। পরে সেই লাশ গুম করার জন্য পারমাস্তুল নদীর পাড়ে বালুর মধ্যে পুঁতে রাখে খুনিরা।

দৌলতপুর থানার ওসি মোঃ জাকারিয়া হোসেন জানান, গত ২১ ডিসেম্বর রাতে মেলায় যাওয়ার সময় সাগর নিখোঁজ হয়। তাকে না পেয়ে ২২ ডিসেম্বর থানায় জিডি করে তার পরিবার। গতকাল স্থানীয়রা তার মৃতদেহটি নদীর পাড়ে দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে অর্ধগলিত ও নাড়িভুড়ি ছাড়া মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button