পিরোজপুরের মাহিন রাজশাহী সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্সি সিন্ডিকেটের হোতা

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের গাজীপুর এলাকার আজমল পাশার বড় ছেলে ফারহান করিম মাহিন রাজশাহীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত প্রোক্সি সিন্ডিকেকেট নিয়ন্ত্রন করছে। তাকে খুজছে রাজশাহীর বিভিন্ন সরকারী গোয়েন্দা সংস্থা। জানা গেছে, রাজশাহীর বাটার মোড় এলাকায় মাহিন ক্যামেস্ট্রি নামে একটি কোচিং সেন্টার খুলে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পড়ানোর নামে চালিয়ে যাচ্ছে প্রোক্সি সিন্ডিকেট। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের এডমিটকার্ডের ছবি পরিবর্তন করে নিজের ছবি লাগিয়ে পরীক্ষা দেন। তিনি ছাড়াও এ সিন্ডিকেটে রয়েছে তার স্ত্রী মুনিরা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সনেট, শিশির ও শফিউল্লাহ। রাজশাহী প্রশাসনের বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য। তার কোচিং সেন্টারে আগত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তার কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ভর্তিচ্ছুকদের সাথে মোটা অংকের টাকার চুক্তি হয়। পরে সিন্ডিকেটের সদস্যরা একেক জনের হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন।
মাহিন শুধু এই প্রক্সি সিন্ডিকেটের মূলহোতাই নয় চারিত্রিক ভাবেও তার নামে রয়েছে এলাকায় ব্যপক অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে এলাকায় মহিলাদের গোসলের সময় পকুরের আশেপাশে ঘুরঘুর করতে দেখা যায় মাহিনকে, এবং এ নিয়ে তাকে নিষেধ করলেও সে না শুনে তাদের সাথে পাল্টা বিবাদে জড়িয়ে পরে। বিবাদের এক পর্যায়ে তার অপরাধের জন্য মাহিন এলাকাবাসীর কাছে মার খায় এবং তার পরিবার চরম অপমানের সম্মুখীন হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক তারেক নুর বলেন, RAB এর গোয়েন্দা বিভাগের কাছ থেকে বিষয়টি আমরা জেনেই দ্রুতই আমরা ব্যবস্থা নেব। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোঃ আসাবুল হক বলেন, তদন্তে বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।




