slider

তোতা ময়না ডাক শুনে চলে আসে পাখিদের ঝাঁক দুলালের সাথে পাখিদের মিতালী!

নাটোর প্রতিনিধি: পাখিদের সঙ্গে গড়ে উঠেছে তার দারুণ সখ্যতা, এ যেনো দারুন মিতালী। তোতা ময়না ডাক দিলেই পাখিরা বুঝতে পারে তাদের ডাকা হচ্ছে। কাছাকাছি বা গাছের ডালে থাকা পাখিরা উড়ে এসে দুলালের কাছে । দুলাল হোসেনের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোড়মল্লিকা গ্রামে। পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা। জোড়মল্লিকা ব্রীজের উত্তর পাশে তার ঝালমুড়ির দোকান। দোকানের পাশেই ঝোপঝাড়, গাছ পালা। শত শত শালিক আসে দুলালের আতিথেয়তা নিতে। প্রতিদিন পাখিদের খাবার হিসেবে চানাচুর দিতে হয় তাকে। পাখিদের খাওয়ানোর মাঝে আনন্দ পান, জীবন উপভোগ করেন। জীবনের নানা পথ ঘাট পেরিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা দুলালের আনন্দ আর উচ্ছাস এই পাখিদের নিয়ে। পাখির সঙ্গে অভিনব সখ্যতার খবর এখন এলাকার মানুষের মুখেমুখে। অনেকেই দেখতে আসেন দুলালের দোকান ও তার পাখিদের।
স্থানীয়রা জানান, পাখির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পাখিরা তাকে অনুসরণ করে। সে পাখিদের খাবার দেয় যতœ নেয়। ঝড়ে বাসা ভেঙ্গে গেলে পাখির বাচ্চা নিয়ে বাড়িতে রেখে সেবাযতœ করে ফিরিয়ে দেয় সে। সে ডাক দিলেই পাখিরা চলে আসে। পাখি প্রেমিক দুলাল বলেন, মানুষের মধ্যে হিংসা আর দ্বন্দ্ব, মানুষকে ভালোবাসলে ও দুঃখ দেয়। পাখিদের মধ্যে হিংসা নাই, দুঃখ পাবার ভয় নাই। হারানোর ভয় নাই। এজন্য পাখিদের ভালোবাসি। ওদের ডাক দিলে চলে আসে। মনটা ভরে যায়।
তিনি এ প্রতিনিধি কে বলেন, মাননীয় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবদার পাখিরা যেমন অস্থায়ী আমার ও অস্থায়ী ঠিকানা। তিনি যদি একটা ঘর দিতেন অন্তত শেষ নিঃশ্বাস নিজের নিড়েই নিতে পারতাম।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button