
১লা সেপ্টেম্বর, বেলা ১১ টায়, গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন-অবিলম্বে মজুরি বোর্ড গঠন করে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ, শ্রমিকদের জন্য মহার্ঘ ভাতা ও পূর্ণাঙ্গ রেশনিংয়ের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়ক ও গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতা এড. মাহবুবুর রহমান ইসমাইল, তাসলিমা আক্তার লিমা, এ.এ.এম ফায়েজ হোসেন, রাজু আহমেদ, বিপ্লব ভট্টাচার্য, বাবুল হোসেন, রেবা আক্তার, কবীর খান মনির প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন শ্রমিক নেতা জুলহাসনাইন বাবু।
সমাবেশে বক্তারা বলেন ২০১৮ সালে সর্বশেষ ৮ হাজার টাকা মজুরী নির্ধারণের পর প্রায় ৫ বছর অতিবাহিত হচ্ছে। এই সময়ে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে শতগুণ, বাসা ভাড়া, পরিবহন ভাড়সহ প্রতিটা ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির যাতাকলে অতিষ্ঠ শ্রমিকের জীবন। কিন্তু শ্রমিকের বেতন বাড়েনি ১ পয়সাও। যার কারনে প্রায় অর্ধাহারে, অনাহারে পেটে ক্ষুধা নিয়েই কারখানায় কাজে যেতে বাধ্য হচ্ছেন শ্রমিকরা। শ্রম আইনেই রয়েছে- দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হলে, বেতন বাড়ানোর পূর্ব পর্যন্ত শ্রমিকদের জন্য মহার্ঘ ভাতা চালু করে শ্রমিকের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার। এছাড়াও কারখানা ভিত্তিক রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেও শ্রমিকদের দুঃসময়ে তাদের পাশে দাড়ানোর দাবি করে আসছেন শ্রমিকরা। কিন্তু আমাদের সরকার কিম্বা গার্মন্ট মালিরা শ্রমিকদের দাবির প্রতি একটু সহানুভূতি দেখাচ্ছেন না। ফলে যে শ্রমিক তার শ্রমে ঘামে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন, সেই শ্রমিকই প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে ভুগে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মজুরী বোর্ড গঠন করে, ২৫ হাজার টাকা মজুরী নির্ধারণ, মজুরী বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত মহার্ঘ ভাতা চালু ও পূর্ণাঙ্গ রেশনিং এর দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকার ও গার্মেন্ট মালিকপক্ষের প্রতি আহবান জানানোর পাশাপাশি গার্মেন্ট শিল্প এলাকাগুলুতে জোরাল আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য শ্রমিকদের প্রতি আহবান জানা।
বিজ্ঞপ্তি




