slider

বাগাতিপাড়ায় ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি : রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক নাটোরের বাগাতিপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নিকট থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে ব্যাংকের এক নারী কর্মকর্তার সাথে অনৈতিক সর্ম্পকের অভিযোগও করা হয়েছে। বাগাতিপাড়া উপজেলার টুনিপাড়ার বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুল হালিম লিখিত ভাবে ব্যাংকের রাজশাহী বিভাগীয় মহা ব্যাবস্থাপকের দপ্তরে পাঠানো অভিযোগ পত্রে অভিযোগ করেছেন গত ২০ বছর থেকে তিনি এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন। বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল খায়ের এখানে যোগদান করার পর থেকে তাকে ঘুষ না দিলে কোন ঋণ নবায়ন বা নতুন ঋণ পাশ হয় না। সকলের নিকট থেকে কম বেশি যেমন পারেন ঘুষ পাওয়ার পর ঋণ আবেদন বা নবায়নের কাগজে স্বাক্ষর করেন। ঘুষ না দিলে দিনের পর দিন ঘোরাতে থাকেন। ঘুষ গ্রহণের জন্য কয়েকজন দালাল নিয়োগ দিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। কোন বিষয়ে প্রতিবাদ করলে থানা পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়। একই সাথে তিনি ব্যাংকের সিসি টিভি বন্ধ রেখে একজন নারী কর্মকর্তাকে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অবস্থান করেন। এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বাগাতিপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল খায়ের বলেন, এমন অভিযোগ সত্য নয়। আব্দুল হালিম ব্যাংক থেকে ৫লাখ টাকা ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়েছেন। ঋণ শোধ করছেন। তার অভিযোগ ইতোমধ্যে তদন্ত হয়ে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। নাটোর জোনাল হেড মহসিন আলী এই তদন্ত করেন বলে তিনি জানান। নারী কর্মকর্তার সাথে সর্ম্পকের বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা বলে তিনি দাবী করেন। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের রাজশাহী বিভাগীয় মহা ব্যাবস্থাপকের দপ্তরে টেলিফোন করা হলে সেখানে কর্মরত সিনিয়র অফিসার মোঃ নুরুল করিম এই প্রতিবেদকে বলেন, এসব অভিযোগ বিষয়ে না জানলেও ভূঁয়া একাউন্ট খোলার বিষয়ে বাগাতিপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আসলে সেটা নাটোর জোনাল হেড মহসিন আলীকে তদন্তভার দেয়া হয়েছে। এখনো তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। রিপোর্ট পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই দিন বিকেলে ব্যাংকের নাটোর জোনাল হেড মহসিন আলী এই প্রতিবেদককে বলেছেন, বাগাতিপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে তাকে যে অভিযোগের তদন্তভার দেয়া হয়েছিল তিনি সেটা তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রাজশাহী বিভাগীয় মহা ব্যবস্থাপকের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। বাকী বিষয়টি এখন তারা দেখবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button