
আমাদের দীঘ’ ৪০ বছরের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, আজীবন ত্যাগী সংগ্রামী জননেতা আলমগীর মজুমদার আর নেই, গতকাল বিকালে অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেয়ার পথেই ইন্তেকাল করেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন, উনার বয়স হয়েছিলো ৭৭ বছর, খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে উনাকে দাফন করা হয়েছে, ১৯৬৮/৬৯ সালে টংগির টেলিফোন শিল্প সংস্থার নিবা’চিত নেতা হওয়ার মাধ্যমে কাজী জাফর আহমদ এর হাত ধরে উনার শুরু, ফেনীর পরশুরামে উনার জন্ম, ইউপিপি নেতা, গনতান্ত্রিক পাটি’র নেতা, জাতীয় শ্রমীক পাটি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি, সবশেষ ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স এর চেয়ারম্যান ছিলেন, আমরা সবাই আল্লাহ তায়ালার কাছে মরহুম এর সকল গুনাহ মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা করে নেয়ার দোয়া করি,
ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি ও শ্রমিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা আলমগীর মজুমদারের (৭৭) ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।
এক যৌথ শোকবার্তায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ বলেন, জনাব আলমগীর মজুমদার আজীবন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই করে গেছেন। শ্রমিক আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি শ্রমিকের প্রাপ্য অধিকার আদায়ের জন্য মেহনতি মানুষদের সংগঠিত করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে বারবার ছুটে গিয়েছেন অসহায় শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে। তার ইন্তেকালে আমরা একজন শ্রমিকবান্ধব নেতৃত্বকে হারালাম। শ্রমিক আন্দোলনে তার অবদান আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, মরহুম আলমগীর মজুমদার মঙ্গলবার বিকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিউন)। তা স্ত্রী ও চার কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন আছে। তার জানাযার নামাজ বনশ্রী সেন্টাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা নামাজ শেষে তাকে খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ
শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা আলমগীর মজুমদারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এ.এ.এম. ফয়েজ হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, শ্রমজীবী আন্দোলনের আহ্বায়ক হারুনার রশিদ ভূঁইয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশনের আহ্বায়ক শামীম ইমাম, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির আহ্বায়ক আবু হাসান টিপু, শ্রমজীবী সংঘের আহ্বায়ক আব্দুল আলী, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন (টাফ)—এর সহ—সাধারণ সম্পাদক আলিফ দেওয়ান, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশ—এর আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ বলেন, “আমরা গভীর শোক প্রকাশ করে জানাচ্ছি যে,গতরাতে এদেশের পাঁচ দশকের বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা শ্রমিক আন্দোলনে যার অসামান্য অবদান ছিল সেই আলমগীর মজুমদার মৃত্যুবরন করেছেন।তিনি ন্যাশনাল ওয়ার্কারস ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসাবে বহুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। এই প্রবিন শ্রমিক নেতার আকর্ষিক মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।আমরা আশা করছি, তার পরিবার এই শোক কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।”
বিভিন্ন সংগঠনের শোক
প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা আলমগীর মজুমদারের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা ও মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী ও মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর-রশিদ, জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন সমন্বয়কারী মো. মহসনি ভুইয়া, ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জনি।
Awal Thakur
তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার খুব পরিচিত একজন মানুষ ছিলেন। নির্লোভ নিরহংকারী একজন নেতা ছিলেন। বিশ্বাসে অটল ছিলেন। তার মৃত্যু বেদনাদায়ক। আল্লাহ তার ভাল কাজগুলো কবুল করুন। জান্নাতুন ফেরদৌস দান করুন।
Shah Ahmad Reza
জেনে খারাপ লাগলো। চিনতাম ১৯৭২ সালে সাপ্তাহিক নয়াযুগে কাজ করার সময় থেকে। যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা ছিল তখন। পরবর্তী সময়ে সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক না থাকলেও মাঝে-মধ্যে দেখা-সাক্ষাত হয়েছে। কথায় ও আচরণে আমি তাঁকে আগের মতোই পেয়েছি। সব মিলিয়ে তিনি একজন ভদ্রলোক ছিলেন
Ruhul Islam Tipu
শোকাহত। শ্রদ্ধেয় আলমগীর ভাই এর নিকট হতে শ্রমিক অধিকার এবং আন্দোলনের অজস্র বিষয়াদি শেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। সদালাপী এবং পরোপকারী বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। সকল দল মত নির্বিশেষে মানুষ আলমগীর ভাইকে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসেন। আমরাও আলমগীর ভাইয়ের সান্নিধ্য গ্রহণে উদগ্রীব থেকেছি। পরিচয় ঘটিয়ে দেন আমাদের প্রিয় ইয়ান ভাই। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ এরূপ মহানুভব একজন মানবের সাথে পরিচয় এবং সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। সর্বশেষ দেখা এক পাবলিক বাসে।সেও অনেক দিন হলো। জড়িয়ে ধরলেন। তাঁর পাশে বসতে বললেন। সকল আবদার এবং অনুরোধ তিনি ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেন। আলমগীর ভাই এর মৃত্যুতে দেশ একজন নিষ্ঠাবান শ্রমিক নেতা হারালো। আলমগীর ভাইয়ের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং শোক জ্ঞাপন করছি।
সৈয়দ হারুন-অর- রশীদ
সোনার বাংলা পার্টির পক্ষ হইতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
Abul Kalam Azad
সদালাপী বন্ধুবৎসল অমায়িক মানুষ ছিলেন, ১৯৭০ দশকে পরিচয়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।
Mirza Amin Ahmed
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন, আল্লাহ তায়ালা আলমগীর ভাই এর সকল গুনাহ মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা করে নিন,
Bulbul Khan Mahbub
অনুজ প্রতিম আলমগীর মজুমদারের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। প্রগতিশীল বামপন্থী শ্রমিক আন্দোলনে সে ছিল একজন নির্ভীক নেতা ও কর্মী। কাজী জাফর আহমদের সৃষ্টি করা শত শত নেতাকর্মীর সে একজন সফল ও ত্যাগী নেতা ছিল। তার সঙ্গে ছিল আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। মাওলানা ভাসানী হুজুরের মৃত্যু ওফাত দিবসে দুই বছর আগে আলমগীরের সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয়েছিল সন্তোষে। আল্লাহ পাক তার রুহ কে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন
Nasser Iqbal
ইন্না-লিল্লাহ হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আল্লাহ পাক তাকে বেহেশত নসিব করুন।
Md Akhtar Hossain
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন।
তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আল্লাহ্ পাক মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।
Kabiruddin Sarker
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ্’র কাছে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।




