বনের কাঠ ও বাঁশ বিক্রি করে জীবন কাটছে এই দুঃখীনির জোটেনী সরকারি সহায়তা

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি- রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বটতলী চেয়ারম্যান পাড়া এলাকার স্বামী পরিত্যক্তা মুরশিদা বেগমের দিন কাটছে কষ্ট আর যন্ত্রনায়, স্বামীকে ছেড়ে ১ ছেলে ও ২ মেয়েকে নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর পার করছেন কুড়ে ঘরে সংসারের খরচ চালতে বনের কাঠ ও বাঁশ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে যা আয় করেন তা দিয়েই চলে তার জীবন জীবিকা, মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও কাজ করে সংসার চলে এই দুখিনীর। অথচ বাঘাইছড়ি পৌর মেয়র জাফর আলী খানের বাড়ির পাশেই নিদারুণ কষ্টে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটছে মুরশিদার। পৌর মেয়র থেকে শুরু করে নজর পরেনি স্থানীয় কাউন্সিলরের। দীর্ঘ সাতটি বছরেও তার ভাগ্য একটু খানিও পরিবর্তন হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা হাসান নবী (৪০) বলেন আমাদের বটতলী ৬ নং ওয়াডের যারা সরকারি ঘর ও সহায়তা পেয়েছে তারা অনেকেই সাবলম্বী কিন্তু মুরশিদার মত অসহায় লোকেরা কোন সুযোগ সুবিধে পায় না যা খুবই দুঃখ জনক। স্থানীয় যুবক আনোয়ার হোসেনের একই প্রশ্ন। এদিকে ১০ ফেব্রুয়ারী বুধবার দুপুরে বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৬ নং ওয়াডের চেয়ারম্যান পাড়া এলাকায় মুরশিদার বাড়িতে গিয়ে দেখাযায় ঘরের দুই পাশে কোন ঘেরা নেই, নেই কোন ভালো একটি আসবাপত্র, বন থেকে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করে জমিয়েছেন বাজারে বিক্রির জন্য। সাংবাদিক পরিচয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে বললেন তার অসহায়ত্বের কথা। সামনে বর্ষা তিন সন্তান নিয়ে কিভাবে কাটাবেন কোন উত্তর নেই জানা। বিষয়টি নিয়ে পৌর মেয়র জাফর আলী খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন মুরশিদা বেগম আমার ভাগনি আমি তার বিষটি জানি, সামনে সরকারি সহায়তা পেলে তাকে অবশ্যই অগ্রঅধিকার দেয়া হবে।




